গেইমিংয়ের আসক্তিতে টেকেনি কোনো সম্পর্ক

gaming-techsohor

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তিনি যে গেইমিংয়ে আসক্ত তা অনেক আগেই বুঝতে পেরেছিলেন। কিন্তু এই আসক্তি কাটিয়ে উঠার কোনো তাগিদ তার ভেতরে ছিলো না। কারণ গেইম খেললে তিনি ভালো বোধ করতেন।

কখনও কখনও এটা মুড পরিবর্তনেও ভূমিকা রাখতো। যেমন জিতে গেলে ফুরফুরে ভাব থাকতো, হারলে অকারণেই খিটখিটে হয়ে উঠতো মেজাজ। গেইম খেলাকেই তিনি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতেন।

নিজের জীবনের এসব কথা রেডিওতে বলে আসক্তির বিষয়ে সচেতনতা বাড়ান ২৮ বছর বয়সী জেমস উইসনিওয়াস্কি।

তিনি আরও জানান, গেইমিং তার সব সময় কেড়ে নিতো। তাই কোনো সম্পর্কেই তার টেকেনি। কোথাও বেড়াতে গেলে বার বার বাসায় গিয়ে গেইম খেলার ইচ্ছা হতো।

তাই একটা সময় একাই থাকা শুরু করলাম। সম্পর্কে জড়াতে এমন কাউকে খুঁজতাম যে আমার সঙ্গে বসে ভিডিও গেইম খেলবে।

পেশার খাতিরে তাকে গাড়ি চালাতে হতো। এই গাড়ি চালানো আর গেইমিংয়ের জন্য তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হতো। এতে এক সময় তার ‘ব্যাকপেইন’ শুরু হয়।

এখন তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান। তবে তিনি এটাও জানেন, ইচ্ছা শক্তি ও দৃঢ় মনোবল ছাড়া এটা সম্ভব নয়।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের গাইড লাইন ২০১৮ সালে মেন্টাল হেলথ কন্ডিশন হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘গেইমিং ডিসঅর্ডার’।

খারাপ পরিণতির কথা জেনেও অন্যান্য সব কিছুর উর্ধ্বে বার বার গেইমিংকে প্রাধান্য দেওয়াই গেইমিং ডিসঅর্ডার হিসেবে পরিচিত।

সারা বিশ্বে ২০০ কোটি মানুষ ভিডিও গেইম খেলেন। এর মধ্যে ৩ থেকে ৪ শতাংশ মানুষ গেইমিংয়ে আসক্ত।

বিবিসি অবলম্বনে এজেড/ অক্টোবর ১০/২০১৯/১৪৫০

*

*

আরও পড়ুন