কে এই লরেন স্যানচেজ?

lauren-sanchez-techshohor

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অ্যামাজনের সিইও জেফ বেজস স্ত্রী ম্যাকেঞ্জির সঙ্গে নিজের সংসার জীবনের ইতি টেনেছেন গত এপ্রিলে।

ব্যয়বহুল এই বিচ্ছেদে বেজসের খরচ হয়েছে ৩৫০০ কোটি ডলার। এই পরিমাণ অর্থ পেয়ে সাহিত্যিক ম্যাকেঞ্জির এখন বিশ্বের তৃতীয় ধনী নারী।

তাদের বিচ্ছেদ হওয়ার আগে থেকেই মার্কিন সংবাদ মাধ্যমগুলো বেজসের প্রেমিকা লরেন স্যানচেজকে নিয়ে খবর ছাপানো শুরু করে।

৪৯ বছর বয়সী স্যানচেজ আদতে কোনো সাধারণ নারী নন। নিজের বহুমুখী প্রতিভার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে তিনি ৯০ এর দশক থেকেই পরিচিত।

চলুন তাহলে লরেন স্যানচেজের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

টিভি উপস্থাপিকা 

ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে পাশ করার পর তিনি সাংবাদিকতায় যোগ দেন। ফক্স ১১ চ্যানেলে দীর্ঘদিন দুটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন তিনি। ‘সো ইউ ক্যান ডান্স’ নামের একটি ডান্সিং রিয়েলিটি অনুষ্ঠানেও তাকে উপস্থাপনা করতে দেখা যায়।
লাইসেন্সধারী পাইলট
উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি তিনি পাইলট হওয়ার প্রশিক্ষণ নেন। প্লেন ও হেলিকপ্টার দুটোই তিনি চালাতে পারেন।

তার বাবা ছিলেন ফ্লাইট ইন্সট্রাক্টর ও প্লেনের মেকানিক। তাই ছোটবেলা থেকেই পাইলট হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন সেনচেজ।

কোম্পানির মালিক

তিনি একটি এরিয়াল ফিল্মিং কোম্পানির মালিক। প্রথম নারী হিসেবে ২০১৬ সালে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। তার কোম্পানির কাছ থেকে নেওয়া এরিয়াল শটের ফুটেজ নেটফ্লিক্সের সিরিজেও ব্যবহার করা হয়েছে।

সিনেমা

বাস্তব জীবনটি বেশ কয়েকবারই সিনেমার পর্দায় দেখা গেছে স্যানচেজকে। বিখ্যাত সিনেমা ফাইট ক্লাব, ফ্যান্টাস্টিক ফোর ও ডে আফটার টুমরোতে তাকে উপস্থাপিকার চরিত্রে দেখা গেছে।

বিচ্ছেদ

হলিউডের এজেন্ট প্যাট্রিক হুইটসেলকে তিনি বিয়ে করেন ২০০৫ সালে। হুইটসেল হলিউড এজেন্সি ডাব্লুএমই এর কো-সিইও। এই এজেন্সির ক্লায়েন্ট হলেন ম্যাট ড্যামোন, ক্রিশ্চিয়ান বেল ও হিউ জ্যাকম্যানের মতো তারকারা। বেজসের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর চলতি বছর প্যাট্রিক হুইটসেলের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় স্যানচেজের।

*

*

আরও পড়ুন