এক যুগে অ্যান্ড্রয়েড: কিছু অজানা তথ্য

Android-10-techshohor

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ১১ বছর শেষ করে এক যুগে পদার্পণ করেছে স্মার্টফোনের বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড

বর্তমানে স্মার্টফোন বাজারের সিংহভাগই এই অপারেটিং সিস্টেমটির দখলে। অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে অজানা ও চমকপ্রদ কিছু তথ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।

চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে অজানা কিছু তথ্য।

অ্যান্ড্রয়েডের লোগো ডিজাইনের ভাবনা টয়লেটের চিহ্ন থেকে এসেছিল 

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের লোগো তৈরি করা হয়েছিল ২০০৭ সালে।  পুরুষ দেহের আকৃতির আদলে রোবটের লোগোটি তৈরি হলেও আইডিয়াটি এসেছিল টয়লেট এ ব্যবহার করা পুরুষ/মহিলা নির্দেশক চিহ্ন থেকে। 

অ্যান্ড্রয়েড লোগের গুগলের পক্ষ থেকে দেয়া অফিশিয়াল নাম হলো বাগড্রয়েড। 

অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণগুলোর নামকরণ 

২০০৫ সালের অ্যান্ড্রয়েড কিনে নেওয়ার পর প্রায় ৩ বছর এটি নিয়ে নানান পরীক্ষা নিরীক্ষা চালায় গুগল। এই সময় অ্যান্ড্রয়েডের আলফা ও বেটা অনেকগুলো সংস্করণ নিয়ে কাজ করে গুগল। ২০০৮ এর সর্বপ্রথম অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ১.০ রিলিজ করা হয়। 

অ্যান্ড্রয়েডের প্রথম দুই সংস্করণ ১.০, ১.১ ব্যতীত পরবর্তী সংস্করণগুলোর নাম মিষ্টি জাতীয় খাবারের নামে রাখা হয়েছিল। যেমন কাপকেক, জেলিবিন, আইসক্রিম, স্যান্ডউইচ, কিটক্যাট, ললিপপ, ওরিও ও পাই । তবে প্রথা ভেঙ্গে চলতি বছর রিলিজ হওয়া সর্বশেষ সংস্করণটির নামকরণ করা হয় অ্যান্ড্রয়েড-১০।  

অ্যান্ড্রয়েডের একটি সংস্করণ স্মার্টফোনে সমর্থন করতো না 

স্মার্টফোনের জন্য জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম ‘অ্যান্ড্রয়েড’ এর একটি সংস্করণ ছিল যা কোনো স্মার্টফোনের জন্য অবমুক্ত করা হয়নি। ২০১১ সালে রিলিজ হওয়া হানিকম্ব নামের সংস্করণটি শুধু ট্যাবের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

শুধু গুগল নয়, অ্যান্ড্রয়েড থেকে আয় হয় মাইক্রোসফটেরও! 

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমকে কেন্দ্র করে গুগল নানাভাবে আয় করে থাকে। তবে এই প্লাটফর্ম থেকে গুগলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটেরও আয় হয়।

অ্যান্ড্রয়েড চালিত একটি স্মার্টফোন তৈরিতে যেসব হার্ডওয়্যার বা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে কিছু পেটেন্টের মালিক মাইক্রোসফট। তাই একটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন হতে গড়ে প্রায় ১০ ডলার অর্থ রয়্যালিটি হিসেবে পেয়ে থাকে মাইক্রোসফট। 

অ্যান্ড্রয়েড পুরোটা ওপেন-সোর্স নয়

অ্যান্ড্রয়েডের জনপ্রিয় হয়ে ওঠার পেছনের মূলমন্ত্র হিসবে ধরা হয় এটিকে ওপেন সোর্স করা অর্থাৎ বিনামূল্যে সকলকে ব্যবহারের সুযোগ দেয়াকে।  তবে বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড পুরোপুরি মুক্ত নয়। অ্যান্ড্রয়েড ওপেন সোর্স প্রজেক্ট (এওএসপি) একটি বিশেষ অংশ মুক্ত হলে গুগলের গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ যেমন ম্যাপ, জিমেইল, ইউটিউব ব্যবহারের জন্য গুগলের সঙ্গে বিশেষ চুক্তির প্রয়োজন পড়ে স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানিগুলোর।

আরও পড়ুন

মোবাইল ওএসের বিবর্তনে অ্যান্ড্রয়েড যেভাবে অপ্রতিরোধ্য

যেসব সুবিধা থাকছে অ্যান্ড্রয়েড ১০ ওএসে

আরএ/ সেপ্টে ২৫/ ২০১৯/ ০২৩০ 

*

*

আরও পড়ুন