আবারও ভিস্যাটের লাইসেন্স দেবে বিটিআরসি

ছবি : ইন্টারনেট থেকে নেওয়া

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অবৈধ কল টার্মিনেশনের অভিযোগে ২০০৭ সালের পর থেকে দেশে ভিস্যাটের লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন।

তারপর থেকে বিদেশী দূতাবাস এবং কয়েকটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ছাড়া আর কারও ভিস্যাটের লাইসেন্স নবায়নও করেনি বিটিআরসি।

কিন্তু এখন বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের ব্যবসার প্রসার বাড়ানো এবং দেশের ভেতরে ইন্টারনেট নেই এমন স্থানে ইন্টারনেটের সেবা নিশ্চিত করতে বিটিআরসি আবারও ভিস্যাট বা ভেরি স্মল অ্যাপাচার টার্মিনালের লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।

একই সঙ্গে ভিস্যাট হাব-এরও লাইসেন্স দিতে চায় বিটিআরসি। এ জন্য একটি নীতিমালার খসড়াও তৈরি করেছে তারা। যেটির ওপর গ্রাহকদের মতামত নেওয়ার জন্যে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়ে নিজেদের ওয়েব সাইটে প্রকাশও করেছে বিটিআরসি।

২০০৬ সালে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই ভিস্যাটই ছিল ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার একমাত্র উপায়। পরে ভিস্যাটের মাধ্যমে বিদেশী অবৈধ কলের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় তার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে কমিশন।

যারা ভিস্যাটের লাইসেন্স নেবেন তাদের তাদের জন্যে দুই লাখ টাকার লাইসেন্স ফিসহ আরও দুই লাখ টাকা দিতে হবে প্রতি বছর লাইসেন্সটিকে নবায়ন করার জন্যে। তবে ভিস্যাটের আয় থেকে বিটিআরসিকে কিছু দিতে হবে না।

ভিস্যাট হাবের লাইসেন্স যারা নেবেন তাদের আয়ের দুই শতাংশ দিতে হবে বিটিআরসিকে। একই সঙ্গে ছয় বছর মেয়াদি লাইসেন্সের জন্যে সাড়ে ছয় লাখ টাকা ফিসহ প্রতি বছর নবায়নের জন্যে দিতে হবে আরও দেড় লাখ টাকা করে।

এই লাইসেন্সের জন্যে বিটিআরসি যে নেটওয়ার্ক টপোলজি ঠিক করেছে তাতে হাবগুলো ভিস্যাট অপারেটরদেরকে সংযুক্ত করবেন। তবে তাদের কেউই কোনো ভয়েস কল টার্মিনেট করতে পারবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

জেএ/ইএইচ/ সেপ্টে ১৬/ ২০১৯/ ১৯২০

*

*

আরও পড়ুন