৫০০ কোটি টাকা মূলধনের সরকারি স্টার্টআপ কোম্পানির অনুমোদন

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের উদ্যোক্তারা এই কোম্পানি হতে কোনো জামানত ছাড়াই সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। 

মূলত স্টার্টআপে বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা সংস্কৃতি গড়তে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের একোম্পানি গঠনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকার । 

কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠিত হবার পরে স্টার্টআপদেরকে মূল্যায়নের প্রেক্ষিতে সীড স্টেজে সর্বোচ্চ ১ কোটি এবং গ্রোথ গাইডেড  স্টার্টআপ রাঊন্ডে  সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারবে।

‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড কোম্পানি’ গঠনের ওই প্রস্তাব সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকটিতে সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, উদ্যোক্তারা আইডিয়া দিয়েই এই কোম্পানি হতে টাকা পাবেন। ব্যাংকে লোক পেতে যে মর্টগেজসহ কতকিছু লাগে এখানে তার কিছুই লাগবে না।

এখানে ঋণের পরিমাণ ও সুদের হার কত হবে তা কোম্পানি কাজ শুরু করলে ঠিক করা হবে বলে জানান তিনি।

৫০০ কোটি টাকা কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন হবে। পরিশোধিত মূলধন হিসেবে ২০০ কোটি টাকা নিয়ে যাত্রা শুরু হবে কোম্পানির। ১০ টাকা হবে একেকটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য।

কোম্পানির চেয়ারম্যান হবে তথ্যপ্রযুক্তি সচিব। পরিচালকের সংখ্যা হবে ৭ জন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদ মর্যাদার কর্মকর্তারা পর্ষদে থাকবেন। এতে ৩৬ জন জনবল থাকার কথা রয়েছে ।

এদিকে চলতি বাজেটে স্টার্টআপ খাতে অর্থমন্ত্রী ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছেন।

২০১৬ সাল থেকে স্টার্টআপ বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় এ নিয়ে কাজ করছে আইসিটি বিভাগ। এরপর থেকে এ সংক্রান্ত একটি কোম্পানির গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়। নানা ধাপ পেরিয়ে অবশেষে এ বিষয়ক প্রস্তাব সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের প্রক্রিয়া শেষ করা হয়।

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানিয়েছিলেন, এই কোম্পানির মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে দেশের এক হাজার স্টার্টআপের পাশে দাঁড়াবেন তারা।

কোম্পানির কাজ হবে মূলত বিকাশমান স্টার্টআপের পাশে দাঁড়ানো। এ ক্ষেত্রে সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোতে এই কোম্পানি থেকে বিনিয়োগ করার পাশাপাশি সেগুলোর পরিচালনার অংশীদারও হবে।

‘সরকারের এক হাজার কোম্পানিতে বিনিয়োগের লক্ষ্য থেকে যদি একটি বিশ্বমানের কোম্পানি বেরিয়ে আসে তাহলে তা পুরাে দেশের চেহারা বদলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে,’ বলেছিলেন পলক।

প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, সরকার চায় না শিক্ষিত তরুণ শুধু চাকরি খুঁজবে, বরং তারা নতুন চাকরির ব্যবস্থা করবে। সে জন্য দেশে স্টার্টআপ সংস্কৃতি গড়ে তোলা দরকার।

এডি/২০১৯/আগস্ট১৯/১৮০০

আরও পড়ুন – 

স্টার্টআপদের বিনিয়োগ পেতে সহায়তা করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

স্টার্টআপ তৈরিতে সহায়তা করবে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ : পলক   

*

*

আরও পড়ুন