অডিটের ‘ত্রুটি’ তুলে ধরলো জিপি

ছবি : টেকশহর

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিটিআরসির পাওনা দাবি নিয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে নিজেদের কোনো দায় দেখছে না গ্রামীণফোন।

পুন:নিরীক্ষার পর গ্রামীণফোনের কাছে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাওনা দাবি করছে বিটিআরসি। আর পাওনা আদায়ে কঠোর সব পদক্ষেপ নিচ্ছে নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটি।

অডিটে গ্রামীণফোনের সব যুক্তিই উপেক্ষিত এবং বিষয়গুলো অমীমাংসিত থাকায় তা কোনভাবেই নিরপেক্ষ অডিটরের নৈতিকতার মধ্যে পড়ে না বলে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন জিপি সিইও মাইকেল ফোলি।

অডিট দাবির চিঠির উল্লেখ করে ফোলি বলেন, চলতি বছরের ২ এপ্রিলের ওই চিঠিতে বলা হয়েছে ২০১৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রামীণফোনের আপত্তিগুলো আমলে নেয়া হয়েছে। কিন্তু গ্রামীণফোন ও বিটিআরসির মধ্যে এ বিষয়ে পরবর্তী আলোচনা বা ২০১৮ সালের সেপ্টম্বরের ৯ ও ১৮ তারিখে দুটি চিঠির মাধ্যমে জানানো বিস্তারিত যুক্তিতর্কের কোনো কিছুই দাবিনামা পাঠানোর সময় আমলে নেয়া হয়নি।

তিনি বলছেন, এমন আচরণ পুরো অডিট প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণফোনের ভারপ্রাপ্ত চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার ও হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদাত বলেন, অডিটের নীতিগত ও পদ্ধতিগত অসংখ্য ত্রুটিবিচ্যুতি রয়েছে। এর মধ্যে এই প্রথম অল্পকিছু ত্রুটি সবার সামনে তুলে ধরছে গ্রামীণফোন। যেগুলো অডিটের ফলাফলকে পরিষ্কারভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

তিনি বলেন, ‘২০০২ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে যে স্পেকট্রাম ব্যবহারের মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে তা বিটিআরসির ডিমান্ড নোটের ভিত্তিতেই করা হয়েছে। তবে অডিটের ফলাফলে এটি উল্লেখ করা হয় যে, এই ডিমান্ড নোটের নিরূপন পদ্ধতিতে বিটিআরসি নিজেই ভুল করেছে। এক্ষেত্রে এই ভুলের জন্য বিটিআরসি কে দায়ী করার বদলে বিটিআরসি কর্তৃক নিযুক্ত অডিট প্রতিষ্ঠান দাবী করে যে, গ্রামীণফোন শুধুমাত্র এই ভুলের মাশুলই দেবে না, এর উপর চক্রবৃদ্ধি হারে সুদও দেবে।’

‘ভ্যাটসংক্রান্ত বিষয়সমূহ যা আদালতে বিচারাধীন, অস্বাভাবিকভাবে সেগুলোও এই বিতর্কিত ও ত্রুটিপূর্ণ অডিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে’ বলছিলেন তিনি।

এডি/জুলাই২৫/২০১৯/২০০০

আরও পড়ুন –

এনওসি বন্ধে জিপির প্রতিবাদ

এনওসি বন্ধে গ্রাহক সেবায় ভোগান্তির আশংকা জিপি-রবির

জিপি-রবির অডিটের সময় আরও বাড়লো

অপারেটরদের অডিট : ত্রিমুখী অবস্থানে বিটিআরসি

*

*

আরও পড়ুন