এনওসি বন্ধ হচ্ছে জিপির

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : পাওনা আদায়ে গ্রামীণফোনের নো অবজেকশান সার্টিফিকেট বা এনওসি বন্ধ করে দিচ্ছে বিটিআরসি।

অপারেটরটির কাছে অডিট আপত্তির ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাওনা আদায়ে নতুন করে এই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এর আগের ব্যবস্থা ব্যান্ডউইথ ব্লক হতে মুক্তি মিলছে অপারেটরটির।

বুধবার বিটিআরসিতে এক সংবাদ সম্মেলনে নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক বলেন, পাওনা আদায়ে আইনে আছে তাদের এনওসি বন্ধ করা যায়। এনওসি অতি সত্ত্বর বন্ধ করে দেয়া হবে। এনওসি বন্ধ করার পরে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগের বিধানও আইনে আছে। ধাপে ধাপে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘এনওসি বন্ধ করলে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কিছু চাপ হবে। কিছু মালামাল আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে। এতে যদি তারা বোঝে এটা রাষ্ট্রের টাকা দিতে হবে, দিয়ে দেই’ বলছিলেন চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, আইনে যেসব ব্যবস্থা আছে সেসব ব্যবস্থা করে টাকা আদায়ে উদ্যোগ নেয়া হবে । আরবিট্রেশনের সুযোগ নেই। এটি না করে টাকা দাবি করছি। এই টাকা রাষ্ট্রীয় টাকা, এটি না নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

এর আগে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় এর আগে বিটিআরসির নেয়া ব্যান্ডউইথ ব্লকের সিন্ধান্ত তুলে নিচ্ছে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। ব্যান্ডউইথের বক্লের ফলে সাধারণ মানুষের কখনও কখনও সমস্যা হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত তুলে দিতে বলেন তিনি।

এনওসি বন্ধ করা হলে অপারেটরটির সব প্যাকেজ অনুমোদন বন্ধ হয়ে যাবে। নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি বন্ধ, নেটওয়ার্ক বিস্তারের অনুমোদনও বন্ধ হবে ।

সাধারণত যেকোনো কিছুর জন্যে বিটিআরসি থেকে এই নো অবজেকশান সার্টিফিকেট বা এনওসি নিতে হয়। এমনকি ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলেও। অনেক ক্ষেত্রে অন্য কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করতে গেলেও এনওসি নিতে হয়।

তাই এনওসি বন্ধ হলে বেশ ঝামেলাতেই পড়বে গ্রামীণফোন।

গত ৪ জুলাই অডিট আপত্তির পাওনা আদায়ে গ্রামীণফোনের জন্য বরাদ্দ ব্যান্ডইউথ ক্যাপাসিটি ৩০ শতাংশ ব্লক করে দেয় বিটিআরসি।

এডি/জুলাই১৭/২০১৯/১৮০০

*

*

আরও পড়ুন