বিটিআরসিতে মোবাইল অপারেটরদের ভ্যাট পরিশোধ সমস্যার সমাধান

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ভ্যাট পরিশোধ নিয়ে বিটিআরসি-মোবাইল ফোন অপারেটর মতপার্থক্যে তৈরি হওয়া অচলাবস্থার অবসান হচ্ছে।

মঙ্গলবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে এক বৈঠকে সম্প্রতি উদ্ভুত এই সমস্যার সমাধান করে দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিভাগটির উধ্বর্তন কর্মকর্তা, বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হকসহ টেলিযোগাযোগ খাতের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতিনিধিরা।

ভ্যাট পরিশোধ নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ার কারণে গত ১০ জুলাই মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের রাজস্ব জমা হয়নি। অপারেটরগুলো ওই দিন তাদের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিলে-জুন) বিভিন্ন পাওনা যেমন অপারেটরদের রাজস্বের অংশ, সামাজিক দ্বায়বদ্ধতা তহবিল ও বাৎসরিক তরঙ্গ ফি পরিশোধ করতে গিয়েছিল।

এতে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো বলছে,  ভ্যাট নিবন্ধন না থাকায় বিটিআরসিকে ভ্যাটের টাকা দিতে পারছেন না তারা। আর বিটিআরসি বলছে, বছর-বছর ভ্যাটসহ সরকারের পুরো পাওনা নিচ্ছেন তারা,  ভ্যাট ছাড়া পাওনা পরিশোধের বিষয়ে এনবিআরের কোনো নির্দেশনাও মোবাইল ফোন অপারেটররা দেখাতে পারেনি।

মঙ্গলবার টেলিযোগাযোগ বিভাগের বৈঠকে জয় বিটিআরসিকে ৭ দিনের মধ্যে ভ্যাট নিবন্ধন দিতে বলেছেন । এ সময় এনবিআর প্রতিনিধিকে বৈঠকে ডেকে আনা হয়।

মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকে এরমধ্যে ভ্যাট ছাড়া বিটিআরসিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকের রাজস্ব পরিশোধ করতে বলেছেন উপদেষ্টা। পরে ভ্যাট নিবন্ধন পেলে ভ্যাটের টাকাও বিটিআরসিকে দেবে অপারেটরগুলো।

বিটিআরসি এর আগে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টার নির্দেশনায় এনবিআরের কাছে ভ্যাট নিবন্ধনের আবেদন করে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা ভ্যাট নিবন্ধন পাননি।

গ্রামীণফোন, রবি এবং বাংলালিংক মিলে দ্বিতীয় প্রান্তিকে সরকারের মোট পাওনা আনুমানিক ১ হাজার কোটি টাকার মতো হতে পারে। তাহলে ১৫ শতাংশ হিসেবে ১৫০ কোটি টাকার মতো ভ্যাট।

আইএসজেড/এডি/জুলাই১৭/২০১৯/২০০০

আরও পড়ুন –  ভ্যাটসহ পাওনা না দেওয়ায় অপারেটরদের টাকা নেয়নি বিটিআরসি

অতিরিক্ত ভ্যাট-ট্যাক্স টেলিকম খাতের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে

জিপির সালিশ প্রস্তাবকে ‘ডিলে কৌশল’ হিসেবে দেখছে বিটিআরসি

*

*

আরও পড়ুন