পৃথিবীর ইতিহাসে আন্ডারডগদের এমন বিজয়ের নমুনা খুব কম

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম অ্যানিমেশন সিনেমা তৈরি করছেন বাংলাদেশের কৃতি সন্তান ওয়াহিদ ইবনে রেজা। এই সিনেমার গল্প, অনুপ্রেরণা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে টেকশহরের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাতকার নিয়েছেন আল-আমীন দেওয়ান।

ওয়াহিদ ইবনে রেজা কাজ করেন বিশ্বের খ্যাতনামা প্রযোজনা সংস্থা সনি পিকচার্স স্টুডিওর সহ-প্রতিষ্ঠান সনি পিকচার্স ইমেজওয়ার্কসে। এখানে তিনি অ্যাসোসিয়েট প্রোডাকশন ম্যানেজার। 

অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের এই ৯০তম আসরেও ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস ক্যাটাগরিতে অস্কার মনোনয়ন পায় ওয়াহিদ ইবনে রেজার কাজ করা গার্ডিয়ানস অব দ্যা গ্যালাক্সি ভলিউম-২ ‍মুভি। এর আগেও তাঁর কাজ করা মুভি ‘ডক্টর স্ট্রেইঞ্জ’ অস্কারে নমিনেশন পেয়েছিল।

ওয়াহিদ সনি পিকচার্স ইমেজওয়ার্কসে জনপ্রিয় অ্যানিমেশন মুভি হোটেল ট্রানসিলভানিয়ার তৃতীয় সিক্যুয়ালে লাইটিং ও কম্পিউটার গ্রাফিক্সের কাজ করছেন। হোটেল ট্রানসেলভেনিয়ার থার্ড পার্টে সরাসরি গেন্ডি টারটাকোভস্কির সঙ্গে ছিলেন তিনি। 

কানাডার ভ্যানকুভারে বসবাসকারী এই কৃতি বাংলাদেশী এর আগে আন্তর্জাতিক ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট কোম্পানি মেথড স্টুডিওসে প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে ছিলেন।

ওয়াহিদের কাজ করা মুভিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ব্যাটম্যান ভার্সাস সুপারম্যান: ডন অব জাস্টিস, ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার, নাইট অ্যাট দ্য মিউজিয়াম: সিক্রেট অব দ্য টুম্ব, ফিউরিয়াস সেভেন ও ফিফটি শেডস অব গ্রে।

সর্বশেষ অ্যাংরি বার্ডস টু মুভিতে কাজ করছেন ওয়াহিদ।  এই মুভির মডেলিং এবং ম্যাটপেইন্টিং ডিপার্টমেন্টটি দেখছেন তিনি।

টেকশহর : গর্বের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অ্যানিমেশন সিনেমা এই প্রথম। মুক্তিযুদ্ধকে বেছে নেয়ার পেছনে কোনো অনুপ্রেরণা ?

ওয়াহিদ ইবনে রেজা : মুক্তিযুদ্ধ আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। এই অর্জনটাই আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা লাঠি বল্লম নিয়ে ট্যাঙ্কের সাথে যুদ্ধ করেছি। পৃথিবীর ইতিহাসে আন্ডারডগদের এমন বিজয়ের নমুনা খুব কম আছে। এমন বিজয় ভিজ্যুয়ালি বলার জন্য দুর্দান্ত গল্প দেয়। 

টেকশহর : গল্পের প্লটে মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব ঘটনার অবলম্বন আছে কী?

ওয়াহিদ ইবনে রেজা : গল্পের প্লটে বাস্তব আর কল্পনার মিশ্রণ আছে। বাস্তব অংশটুকু নিয়েছি আমার বাবা, অধ্যাপক মোহাম্মদ রেজাউল করিমের নিজের যুদ্ধের ঘটনা নিয়ে। এছাড়া অন্যান্য অংশটুকুও বাস্তব থেকে অনুপ্রাণিত।  

টেকশহর : সারভাইভিং ৭১ নামকরণ কেনো ?

ওয়াহিদ ইবনে রেজার : একটা যুদ্ধ আসলে খুব ভয়াবহ একটা ব্যাপার। যারা এর মধ্যে দিয়ে যায় তারাই একমাত্র বুঝতে পারে। যুদ্ধে আমরা আসলে সারভাইভ করি, বাঁচি। এই সিনেমায় সেটাই তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেই এমন নামকরণ।  

টেকশহর : সিনেমাটির চরিত্রগুলো সম্পর্কে যদি বলেন, কারা অভিনয় করছেন চরিত্রগুলোতে?

ওয়াহিদ ইবনে রেজা : সারভাইভিং ৭১ নামে আমাদের এই শর্ট ফিল্মটিতে মূল চরিত্রে থাকছেন জয়া আহসান, মেহের আফরোজ শাওন, তানযীর তুহিন, গাউসুল আলম শাওন , সামির আহসান, অনিক খান ও ওয়াহিদ ইবনে রেজা মানে আমি নিজে। এ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ শর্ট ফিল্মের জন্য মেহের আফরোজ শাওনের ভয়েসটি রেকর্ড করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আগস্ট মাসের মধ্যে বাকি সবার ভয়েস নেয়া হবে। এছাড়া টিজারে অতিথি ভয়েস আর্টিস্ট হিসেবে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, আরিফ আর হোসেন , সাদাত হোসাইন এবং কাজী পিয়াল রয়েছেন। পূর্ণাঙ্গ শর্ট ফিল্মটিতে অতিথি ভয়েস আর্টিস্ট হিসেবে থাকবেন আরও অনেকেই। 

টেকশহর : মুভিটির নায়ক সম্পর্কে আরও একটু জানতে চাই।

ওয়াহিদ ইবনে রেজা : যুদ্ধের সিনেমায় আসলে আলাদা করে নায়ক-নায়িকা বলা মুশকিল। তিনজন মুল চরিত্র থাকবেন যাদের মাধ্যমে আমরা মুক্তিযুদ্ধের তিন রকম দিক দেখব। এরচেয়ে বেশি কিছু বলতে চাচ্ছি না। 

টেকশহর : সিনেমাটি কত দৈর্ঘ্যের, এটির ভিজ্যুয়াল কেমন করতে চাইছেন ?

ওয়াহিদ ইবনে রেজা : সিনেমাটি ১৫ মিনিটের মত হবে। ভবিষ্যতে ফিচার লেন্থ বা মিনি সিরিজ করার ইচ্ছা আছে। ভিজ্যুয়াল ট্রেইলারে যেমন দেখেন, তেমনি থাকবে।

টেকশহর : কত সময় ধরে এই সিনেমা তৈরিতে লেগে আছেন ? এর প্রি-প্রডাকশনের গল্পটা কেমন? মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমাদের সাধারণ সিনেমা রয়েছে বেশ। যেহেতু অ্যানিমেশন সিনেমা এই প্রথম তাই চ্যালেঞ্জগুলোও নিয়শ্চই ভিন্ন রকম। কিছু অভিজ্ঞতার কথাও শুনতে চাই।

ওয়াহিদ ইবনে রেজা : আমরা স্ক্রিপ্ট শেষ করেছি ২০১৭ এর নভেম্বরে। ২০১৮ চলে গেছে প্রি-প্রোডাকশন, কনসেপ্ট ইত্যাদিতে। টিজার ট্রেইলারের অ্যানিমেশনের কাজ শুরু হয় ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারিতে। 

অ্যানিমেশন মুভিতে হঠাৎ হঠাৎ খুব সহজ কাজটা কেন যেন খুব জটিল হয়ে যায়। শ্রেক এর ডিরেক্টরদের যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে সবচেয়ে কঠিন শট কি ছিল তাদের ফিল্মে, তারা বলে, বোতলের দুধ খাবারের দৃশ্যটি! কারণ কোন ভাবেই দেখতে বাস্তব মনে হচ্ছিল না। ভাবা যায়? কত রকম কাল্পনিক রূপকথার জন্তু জানোয়ার তারা করে ফেললো অথচ তরল দুধ বানাতে গিয়ে এই অবস্থা!

পরে আমি অবশ্য নিজের চোখেই এমন উদাহরন দেখি। হোটেল ট্র্যানসেলভেনিয়ার তৃতীয় পর্ব, সামার ভ্যাকেশনে কাজ করার সময় দেখেছি সব চেয়ে সময় লেগেছে কাউন্ট ড্রাকুলার মুখে শ্যাম্পেইন ছুড়ে মারার দৃশ্যটি করতে। এক পর্যায়ে অ্যানিমেশন সুপারভাইজারকে দাঁড় করিয়ে রেখে তার মুখে শ্যাম্পেইন ছুড়ে মারা হয় গ্লাসের পর গ্লাস। সেটা আবার ক্যামেরায় ধারণ করা হয়। সেই দৃশ্য রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করে পরে শটটা ফাইনাল হয়। আমি মনে মনে বলেছিলাম, বিশাল বড় অক্টপাস থেকে শুরু করে পানির নিচের আটলান্টিক শহর বানিয়ে ফেললো, অথচ শ্যাম্পেইনে এসে কাত, এটা কোন কথা! অথচ এরকমই হয়। একটা প্রচলিত কথাও আছে, সহজ শট বলে কিছু নেই। যদি কোন কিছু দেখে মনে হয় সমস্যা হতে পারে, জেনে রেখো সমস্যা হবেই!

তাই ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে যখন আমি মুক্তিযুদ্ধের অ্যানিমেশন ছবি বানাবো বলে ঘোষণা দিলাম এবং ১৫ মিনিটের শর্ট ফিল্মের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখে শেষ করলাম। আমার মাথায় প্রথম যেই কথাটা আসে তা হচ্ছে, দেখি এখন কি কি সমস্যা হয়। প্রথম সমস্যা হচ্ছে আমি নিজে তো আঁকতে পারিনা। আমার টিম তৈরি করতে হবে। প্রথমে তৈরি করতে হবে কনসেপ্ট। চরিত্র, প্রপ্স থেকে শুরু করে নানা রকমের ডিজাইন। তারপর স্টোরিবোর্ড। অ্যানিমেশনের ফিল্ম বানানোর এই ধাপটাকে বলে প্রি-প্রোডাকশন। তো একটা বেশ ভাল টিম দাঁড় করানো হলো। কিন্তু যেহেতু এরকম একটা প্রজেক্টে বেশ সময় দিতে হয় এবং অনেকের অনেক রকম কমিটমেন্ট থাকে, টিম থেকে সরে গেলো বেশ কয়েকজন। থেকে গেলো, প্রোডাকশন ডিজাইনার শরিফুল ইসলাম তামিম আর কনসেপ্ট আর্টিস্ট নাভিদ এফ রাহমান। আমরা তিনজন মিলেই কাজ শুরু করলাম প্রাথমিক ডিজাইনের।

প্রথমে নির্ধারণ করতে হবে কি রকম হবে অ্যানিমেশনের স্টাইলটি। রঙের প্যালেট কি রকম হবে, ব্যাকগ্রাউন্ড কি রকম হবে, ইত্যাদি ইত্যাদি খুব ডিটেইলভাবে শেয়ার করলাম তামিমের সাথে। আমাদের লক্ষ্য আমরা প্রথমে দেড় মিনিটের একটা ফার্স্ট লুক টিজার বানাবো। যা দেখে দর্শক সিনেমার ধরণ, অ্যানিমেশনের ধরণ ইত্যাদি বুঝতে পারবে। এবং সেটা দেখিয়ে আমরা ১৫ মিনিটের জন্য ফান্ডিং চাইতে পারবো।

সে হিসেবেই কাজ শুরু করা। ব্যাকগ্রাউন্ডের জন্য রেফারেন্স হিসেবে দেখলাম বাংলাদেশের ল্যান্ডস্কেপের ছবি। যা থেকে রঙের প্যালেটেরও একটা ভাল ধারণা হয়ে গেল। চরিত্রের ডিজাইন করতে গিয়ে পড়লাম মুশকিলে। কেন যেন কিছুতেই হচ্ছিল না। চুল, চোখ, পোশাক-আশাকের ধরন, মিল ছিলনা একদম। তখন আমরা ১৯৭১ এর মুক্তিযোদ্ধাদের ছবি দেখা শুরু করলাম। অ্যানিমেশন মুভিতে কনসেপ্ট কিন্তু আঁকা হয় বাস্তব মডেলের উপর ভিত্তি করে। ঠিক করলাম আমরাও সেটাই করবো। এতে একটা ট্রিবিউটও জানানো যাবে আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের। এই সিদ্ধান্ত নেয়ার পরই টিজারের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজাইনটা সহজ হয়ে গেল।

বন্দুক, গুলি, যানবাহন ইত্যাদি রেফারেন্সও টানলাম মুক্তিযুদ্ধের ছবি থেকে। আর পাকিস্তান আর্মিদের জন্য সম্পূর্ণ অন্যরকম ভাবে চিন্তা করলাম। যা কিনা আপনারা টিজারে দেখেছেন। ডিজাইনের পুরো কাজটা একাই করলেন তামিম। টরন্টো বসে লোগো এবং থিমেটিক পোস্টার করলো নাভিদ। এরপর কাজ শুরু হলো স্টোরিবোর্ডের। আমি দৃশ্য ধরে ধরে শট লিস্ট করে দিলাম। সেটা অনুযায়ী প্রথমে রাফ স্কেচ এবং পরে ফাইনাল স্কেচ করলেন তামিম। একই সাথে করে ফেললেন ব্যাকগ্রাউন্ড এবং অ্যানিমেটিকের কাজ। এবং সেই সাথে শেষ হলো প্রি প্রোডাকশনের ধাপ।

এরপর প্রোডাকশন! সাউন্ড ও মিউজিকে প্রথমে কিছু রাফ ট্র্যাক করে সাহায্য করলো তনয়। পরে সাউন্ড ডিজাইনার হিসেবে দলে যোগ দিল, রাজেশ সাহা এবং রিপন নাথ ভাইয়ের স্টুডিও সাউন্ডবক্স। অনেক কষ্ট করে, ক্ষেত্রবিশেষে ভয়েস আর্টিস্টদের বাসায় বা অফিসে গিয়েও রেকর্ড করে আসলো রাজেশ। খুব চমৎকার সাউন্ড ডিজাইনের কাজও করলো সে। এদিকে পাশাপাশি মিউজিকে সাহায্যের হাত বাড়ালো মেঘ দলের গিটারিস্ট এবং ষ্টুডিও কাউবেলের কর্ণধার শোয়েব। চৎমকার একটা মিউজিক বা আবহ সংগীতও দেখতে দেখতে তৈরি হলো। এদিকে ততক্ষণে অ্যানিমেশন টেস্ট শুরু হয়ে গেছে। কাজটি করছে মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন আরিফ। অনেক পরিশ্রম করলেন তিনি ও তার দল। মুরাদকে নিয়ে সাইকোর স্টুডিওতে নিজের থ্রিডি দল নিয়ে একটা ট্রেইন এর মডেল তৈরি করলেন আমাদের জন্য। করলেন টুডি টেস্ট। কিন্তু প্রায় বেশ কয়েক মাস পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর যেটা বোঝা গেল, যেরকম অ্যানিমেশন চাচ্ছি তা বাংলাদেশে করতে গেলে অনেক অনেক সময় দিতে হবে। এদিকে ততদিনে এক বছরের বেশি সময় চলে গেছে। কয়েক মাসের মধ্যে টিজার শেষ করার কথা! যখন বুঝতে পারলাম বাংলাদেশে অ্যানিমেশনের অংশটুকু করতে পারছি না, তখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছোট ছোট অ্যানিমেশন স্টুডিওদের সাথে যোগাযোগ করলাম। অবশেষে কানাডার হ্যালিফ্যাক্সের একটি অ্যানিমেশন ষ্টুডিও, স্টেলার বোর নাম, আমাদের সাথে যুক্ত হলো অ্যানিমেশন করতে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু হলো পুরোদুস্তর এনিমেশন প্রোডাকশন। 

আরও বিস্তারিত জানা ও দেখা যাবে সারভাইভিং ৭১ এর ওয়েবসাইটে। 

টেকশহর : ইতোমধ্যে সিনেমাটির টিজার প্রকাশিত হয়েছে, সাড়া কেমন ? 

ওয়াহিদ ইবনে রেজা : ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ ইউটিউবে প্রকাশিত দেড় মিনিটের টিজারে  ভাল সাড়া পেয়েছি। ইতোমধ্যে ১ লাখের বেশি ভিউ হয়েছে ইউটিউবে। 

টেকশহর : একটি মানসম্পন্ন অ্যানিমেশন সিনেমা তৈরিতে নিয়শ্চই বেশ অর্থ লাগে। সেক্ষেত্রে এই সিনেমা তৈরির অর্থ যোগানে চ্যালেঞ্জ কেমন  ?  

ওয়াহিদ ইবনে রেজা : চ্যালেঞ্জ অনেক। এখন আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি ফান্ড জোগাড় করার জন্য। কয়েকটি কোম্পানি আগ্রহ দেখিয়েছে। আশা করি আমরা পেয়ে যাব।  

টেকশহর : বিশ্বজুড়ে অ্যানিমেশন সিনেমার জয়জয়কার। কিন্তু বাংলাদেশ এখনও অনেক পিছিয়ে, বলা চলে কিছুই হয়নি। কেনো এমনটা ? করণীয় কী ?

ওয়াহিদ ইবনে রেজা : আমরা কিন্তু সিনেমা বা টিভি প্রোডাকশনে বেশ পিছিয়ে। শুধু অ্যানিমেশন বললে ভুল হয়। অনেক কারণ আছে এর পিছনে। বাজেট, ইনফ্রাস্ট্রাকচার, স্কিলড লেবার। তবে এখন দিন পালটাচ্ছে। টেকনোলজি এভেইলেবল হওয়ার কারণে অনেকেই শিখে কাজ শুরু করছেন। সিনেমা বা টিভির পরিবর্তন চোখে পরার মতন। আশা করছি সানে অ্যানিমেশনেও অনেক আগাবে। আসলে দরকার দূরদর্শিতা, দরকার দীর্ঘমেয়াদি ইনভেস্টমেন্ট। 

 

*

*

আরও পড়ুন