২ বছরে সর্বনিম্ন জিপির শেয়ারদর

গ্রামীণফোন-টেকশহর
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সাম্প্রতিক কয়েক মাসে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত একমাত্র মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের শেয়ারদর ক্রমাগত কমছে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রি, বিটিআরসির বকেয়া আদায়ে তোড়জোড়, এসএমপি, এমএনপিসহ বিভিন্ন কারণে এ দরপতন বলে মনে করছেন শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা।

আজ রোববার গ্রামীণফোনের পর্ষদ সভায় দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক হিসাব পর্যালোচনা করা হবে। গত কয়েক বছরের ধারা বহাল থাকলে এ সভায় অন্তবর্তীকালীন লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা আসতে পারে।

এরপরও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে শেয়ারটির দর কমেছে। ওই দিন ২ টাকা ৯০ পয়সা দর হারিয়ে শেয়ারটি সর্বশেষ ৩৩১ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হয়। ক্লোজিং প্রাইস ছিল ৩৩১ টাকা ৬০ পয়সা। এর আগের দিন বুধবার শেয়ারটির ক্লোজিং প্রাইস ছিল ৩৩৪ টাকা ১০ পয়সা। দিনের এক পর্যায়ে তা ৩২৯ টাকা ১০ পয়সাতেও লেনদেন হয়।

এর দর গত দুই বছরের মধ্যে প্রায় সর্বনিম্ন। ডিএসইর গত বৃহস্পতিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দুই বছর আগে শেয়ারটির মূল্য ছিল (ক্লোজিং প্রাইসের হিসাবে) ৩২৯ টাকা ১০ পয়সা।

২০১৭ সালের ১৯ নভেম্বর ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের জিপির শেয়ারদর সর্বোচ্চ ৫০৬ টাকায় উঠেছিল। পরে মাস দুয়েক ৫০০ টাকার নিচে ওঠানামা করার পর ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি তা আবার ৫০৪ টাকা ছাড়ায়। এরপর থেকেই শেয়ারটি টানা পতনের ধারায় রয়েছে।

গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে প্রায় প্রতিদিনই কমছে টেলিযোগাযোগ খাতের এ কোম্পানির শেয়ারদর। নানা কারণে ব্লুচিপ এ শেয়ার দর ধরে রাখতে পারছে না। ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো তা ৫০০ টাকা ছাড়ানোর পর থেকে ক্রমাগত কমতে থাকে।

এরপর সার্বিকভাবে শেয়ারবাজার খারাপ হতে শুরু করলে গ্রামীণফোনও দর হারায়। এক বছরের মধ্যে তা ৩৫০ টাকার ঘরে চলে আসে। পরে কিছুটা দর বেড়ে ৪১৫ টাকা ছাড়ানোর পর আবার কমতে শুরু করে।

এরপর টানা কমে গত বৃহস্পতিবারের অবস্থানে নেমেছে।

বিদেশিদের ধারণ করা শেয়ারের বড় অংশের বিক্রির পাশাপাশি টেলিকম খাতের বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক খবরই মূলত দরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

তারা বলেন, মূলত যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে বন্ডের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় বিদেশিদের বড় অংশ শেয়ার বিক্রি করেন। এতে জিপির শেয়ারমূল্যে এক প্রকারের ধস নামে। অল্প দিনের মধ্যেই এটির দর একশ’ টাকা কমে যায়।

এরপর বিটিআরসির বিপুল বকেয়া পাওনা, সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার- এসএমপির ঘোষণার পর নানান শর্ত আরোপ, এমএনপিসহ নানা কারণে শেয়ারটি বিক্রি করে দেন বিনিয়োগকারীরা। এসবের ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে দামে।

২০০৯ সালে দেশের দুই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় গ্রামীণফোন।

আরআর/জুলাই ১৪/২০১৯/

আরও পড়ুন

জিপির শেয়ার আবার ৫০০ টাকায়

*

*

আরও পড়ুন