ডিপফেইকে কণ্ঠ নকল, চুরি লাখ লাখ পাউন্ড

ছবি : Getty Images

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ডিপফেইক প্রযুক্তি দিয়ে এখন এমন সব কিছু করা হচ্ছে যেখানে সেটি আসল না নকল সেটি ধরতেই ধন্ধে পড়তে হচ্ছে।

এবার এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারকরা লাখ লাখ পাউন্ড চুরি করেছে বলে একটি নিরাপত্তা সংস্থা তুলে ধরেছে।

সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা সিমেন্টেক এমন কিছু প্রমাণ পেয়েছে। সংস্থাটির দাবি, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর কণ্ঠ ডিপফেইক অডিও প্রযুক্তির মাধ্যমে নকল করা হয়েছে। আর এর মাধ্যমে জ্যেষ্ঠ অর্থ নিয়ন্ত্রক কর্মকতার কাছ থেকে ধোঁকা দিয়ে অর্থ সরানো হয়েছে। এমন অন্তত তিনটি ঘটনার প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে।

এর আগেও ডিপফেইক নিয়ে অনেক ধরনের কথা হয়েছে। বিশেষ করে ফেইসবুকের প্রধান নির্বাহী জাকারবার্গের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল সামাজিক মাধ্যমে। যেখানে তাকে কিছু কথা বলতে দেখা যায়। কিন্তু ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছিল ডিপফেইক প্রযুক্তিতে।

মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করেই ডিপফেইক তৈরি করা হয়।

সিমেন্টেক বলছে, এআই সিস্টেমটি প্রথমে সেই নির্দিষ্ট প্রধান নির্বাহী ব্যক্তির সাধারণভাবে বলা বহু কথা বা অডিও সংগ্রহ করে থাকে। এরপর সেখান থেকে তার কণ্ঠ তৈরি করা শুরু হয়। সেটি বিভিন্ন ধরনের যেমন, এমনিতেই স্বাভাবিক কথা বলা, সভা বা সেমিনারে  দেওয়া ব্ক্তব্য নিয়ে তৈরি করা হয় নকল কণ্ঠ।

সিমেন্টেকের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ড. হাফ থমসন বলেন, কোন একটি কণ্ঠস্বরের মডেল তৈরি করতে অনেক সময় লাগে। কারণ, এক্ষেত্রে দেখা হয়, মডেলটি একেবারে নিখুঁত হতে পারে।

এটি করতে গিয়ে অনেক চাতুরতার আশ্রয় নেয় প্রতারকরা। তারা কণ্ঠটি ব্যবহারের সময় ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড দেয়, যাতে শব্দগুলো বিশ্বাসযোগ্য হয় ও ভালোভাবে একটি অংশ অপরটির সঙ্গে মিশে যায়।

একটি নিখুঁত নকল অডিও তৈরির জন্যে সময় এবং বেশ অর্থ খরচা করতে হয় বলেও ওই প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করেন।

নির্দিষ্ট ব্যক্তির কণ্ঠ তৈরি, তার ছন্দ মেলাতে এবং ভঙ্গি মেলাতে অনেক সময় প্রয়োজন হয় বলে জানান তিনি।

বিবিসি অবলম্বনে ইএইচ/ জুলাই৯/ ২০১৯/ ১৭০০

*

*

আরও পড়ুন