বিকল্প বিরোধ মীমাংসার পক্ষে বিটিআরসি

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সংশোধিত টেলিযোগাযোগ আইনে আরবিট্রেটর নিয়োগের বিধান রাখার অনুরোধ করেছে বিটিআরসি।

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বলেছে, বিকল্প বিরোধ পদ্ধতিতে কোনো বিরোধের সমাধান করা গেলে ঝামেলা কমবে।

২০১০ সালে একবার সংশোধন হওয়া টেলিযোগাযোগ আইনকে হালনাগাদ করতে সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন সংশোধনির বিষয়ে নিজেদের মতামত জানাতে গিয়ে আরও বেশ কিছু বিষয়ের সঙ্গে আরবিট্রেটর নিয়োগের বিধান যুক্ত করতে বলছে কমিশন।

বিটিআরসি বলছে, কোনো বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং অপারেটরদের মধ্যে দ্বিমত হলে সেটির সুরাহা করতে আরবিট্রেটর কাউন্সিল নিয়োগের সুযোগ থাকলে উভয় পক্ষেরই সুবিধা হবে।

কোনো বিষয়ে বিরোধ দেখা দিলে সরাসরি আদালতে যাওয়ার আগে তা বিকল্প উপায়ে সমাধানের জন্য আরবিট্রেটর কাউন্সিলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব হতে পারে। এতে কাজের গতি যেমন আসতে পারে, তেমনি উভয় পক্ষের সময় ও অর্থের সাশ্রয় হতে পারে।

বিশ্বজুড়ে বিকল্প বিরোধ নিস্পত্তির মাধ্যম এখন বেশ জনপ্রিয় ও কার্যকরি। দেশে টেলিযোগাযোগ খাতে এ ব্যবস্থা চালু না থাকলেও আর্থিক খাতের অনেক ক্ষেত্রে আরবিট্রেশন কাউন্সিলের প্রচলন আছে।

এ জন্য বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টারও (বিয়াক) কাজ করছে।

বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের পাঠানো প্রথম দফার মতামতে এ বিষয়ে কিছু বলা ছিল না। পরে সংশ্লিস্ট অনেকের সুপারিশের পর দ্বিতীয় দয়ায় পাঠানো মতামতে তারা এটি যুক্ত করে।

আরবিট্রেটর নিয়োগ ছাড়াও কমিশন টেলিযোগাযোগ খাতের অপরাধকে জামিন অযোগ্য করা এবং কমিশনারদের নিয়োগের মেয়াদ তিন থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করার প্রস্তাব করেছে।

আইন সংশোধনে মন্ত্রনালয়ের গঠিত কমিটি বিটিআরসিসহ খাত সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের কাছে মতামত চেয়েছে। সকল মতামত যাচাই-বাছাই শেষে আইন হালনাগাদ করে খসড়া তৈরি করবে এ কমিটি।

মন্ত্রণালয় পরে খসড়া চূড়ান্ত করে মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠাবে যা অন্যান্য প্রক্রিয়া শেষে সংসদে পাস হওয়ার মাধ্যমে আইনে পরিণত হবে।

জেডএ/আরআর/২ জুলাই/২০১৯/২.০৫

আরও পড়ুন –

টেলিকম অপরাধকে জামিন অযোগ্য দেখতে চায় বিটিআরসি

শুধুই হতাশ মোবাইল ফোন অপারেটররা

*

*

আরও পড়ুন