যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চাইলে সোশ্যাল মিডিয়ায় যা করবেন না

Visa-techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

আনিকা জীনাত, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করতে চাইলে বাধ্যতামূলকভাবে সোশ্যাল মিডিয়ার বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি জানানো হয়েছে, দেশ-জাতি নির্বিশেষে সবাইকে ভিসা আবেদনের ফর্ম পূরণ করার সময় গত ৫ বছরে ব্যবহার করা সব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের নাম, ইমেইল ঠিকানা ও ফোন নম্বর দিতে হবে।

ফেইসবুক, ফ্লিকার, গুগল প্লাস, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, লিঙ্কড ইন ও ইউটিউব অ্যাকাউন্টের ইউজার নেইম দিতে হবে। এসব তথ্য দিতে হবে পর্যটক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও শিক্ষার্থীদের।

এর বাইরে যেসব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট আছে সেগুলোর তথ্যও নেবে মার্কিন সরকার।

তাই যদি অদূর ভবিষ্যতেও যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে তবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে অতিরিক্ত সচেতন হবে তবে। বিশেষ করে ফেইসবুক ও টুইটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে মেনে চলতে হবে বাড়তি সতর্কতা।

কী কী নিয়ম অনুসরণ করলে ভিসা পাওয়া সহজ হবে তা এখানে তুলে ধরা হলো।

রাজনৈতিক পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি নিয়ে কোনো পোস্ট দেওয়া যাবে না। ট্রাম্পকে নিয়ে তৈরি মিম শেয়ার করা বা রিটুইট করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। তাদের নীতিমালার সমালোচনা করা যাবে না। যুক্তরাষ্ট্র বিরোধী পোস্ট থেকেও একশ’ হাত দূরে থাকতে হবে।

সহিংসতাকে এড়িয়ে চলুন

সহিংসতাকে সমর্থন করে কোনো পোস্ট দিলে বা বিশেষ কোনো জাতির প্রতি ফেইসবুক বা টুইটারে বিদ্বেষ প্রকাশ করলে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাবে।

অ্যালকোহলের ছবি

মাদক বা সিগারেটের ছবি পোস্ট করলে যুক্তরাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত ইউনিভার্সিটির ডিগ্রি নেওয়া বা দেশটিতে গিয়ে চাকরি করার স্বপ্ন বাধাগ্রস্ত হবে।

গোপন থাকুক স্থায়ী হওয়ার ইচ্ছা

যুক্তরাষ্ট্র সরকার শিক্ষার্থী নিতে আগ্রহী হলেও তাদেরকে স্থায়ীভাবে থাকতে দিতে ইচ্ছুক নয়। পড়া শেষে একজন শিক্ষার্থী চলে যাবেন এটা শুনতেই বেশি পছন্দ করেন ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তারা। তাই যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা হওয়ার আগে ফেইসবুক ও টুইটারে বিষয়টি না জানানোই ভালো।

রাগ করে পোস্ট 

কারও উপর ক্ষিপ্ত হলে রাগ লাগাটা স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি কেনো রাগ করেছেন তা সবাইকে বোঝাতে যাওয়াটা বোকামি। যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষও বিষয়টি বুঝবে না। তাই রাগের মাথায় কাউকে গালি দিয়ে পোস্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। সব সময় মাথায় রাখতে হবে, একজন ভদ্র মানুষকেই শুধু নিজ দেশে আমন্ত্রণ জানাতে চায় মার্কিন সরকার।

বেশি প্রাইভেসিও সন্দেহজনক

উপরের পয়েন্টগুলোতে নিষেধ করা কাজগুলো যদি করেন আর ভাবেন পোস্ট ডিলিট করলেই ঝামেলা শেষ, তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন। পোস্ট ডিলিট করলে বা অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট করে রাখলে তাদের সন্দেহ বাড়বে। তারা ধরেই নেবে, খারাপ কাজ করেছেন তাই আপনি সবকিছু গোপন করতে চান।

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্র যেতে সোশ্যাল মিডিয়ার বিস্তারিত দিতে হবে

গ্যাজেটস নাউ অবলম্বনে এজেড/জুন ২৫/২০১৯/১২৩৫

*

*

আরও পড়ুন