বাড়তি শুল্কে অবৈধ মোবাইল আমদানি বাড়বে : বিএমবিএ

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : মোবাইল ফোন আমদানির উপর বাড়তি ১৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার চেয়েছে বাংলাদেশ মোবাইল ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশন বা বিএমবিএ। 

বাড়তি শুল্ক প্রতাহার না হলে অবৈধভাবে দেশে মোবাইল ফোন আমদানির পরিমাণ বাড়বে বলে আশঙ্কা করছে সংগঠনটি। 

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোবাইল ফোন আমদানির উপর যে আরও ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে তা প্রত্যাহার চেয়ে বিএমবিএ সভাপতি বলেন, নতুন আমদানি শুল্ক ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনে বাধা তৈরি করবে। অবৈধভাবে স্মার্টফোন আমদানি উৎসাহিত হবে। এতে করে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি যেমন বাড়বে, তেমনি সরকার শুল্ক থেকে বঞ্চিত হবে। 

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের দাবি তুলে ধরে বিএমবিএ। 

মোবাইল ফোন আমদানিতে বাড়তি শুল্ক বাস্তবায়ন হলে সরকার বছরে অন্তত দুই হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে বলে জানান সংগঠনটির সভাপতি। তিনি বলেন, যদি বাড়তি শুল্ক প্রত্যাহার করে নেয় তবে সরকার আরও অন্তত এক হাজার কোটি টাকার বাড়তি রাজস্ব করতে পারবেন। 

সংগঠনটি সংবাদ সম্মেলনে জানায়, বাড়তি শুল্ব আরোপের ফলে স্মার্টফোন ব্যবহারের প্রবৃদ্ধি কমে যাবে। 

বর্তমানে ১০ শতাংশ  আমদানি শুল্কের কারণে স্মার্টফোন আমদানিতে মোট করের পরিমাণ ৩২ শতাংশ।  প্রস্তাবিত ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব বাস্তবায়ন করলে সর্বমোট করের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৫৭ শতাংশ। এতে করে আমদানি করা স্মার্টফোনের মূল্যবৃদ্ধি পাবে।

বর্তমানে দেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারী সংখ্যা ২০ শতাংশ এবং এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এর গড় ৫১ শতাংশ বলে জানায় সংগঠনটি। 

সংগঠনটি তাদের লিখিত বক্তব্যে বলেছে, আমদানি নির্ভর মোবাইল শিল্পের সাথে দেশের প্রায় ২০ হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ ও লক্ষাধিক পরিবার পরোক্ষভাবে জড়িত। স্মার্টফোন আমদানীর উপর অতিরিক্ত করারোপের ফলে এসব পরিবারের ভবিষ্যৎ ও জীবনযাত্রার মান ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও করছেন নেতারা। 

স্থানীয়ভাবে সংযোজন কারখানা স্থাপনকে উৎসাহিত করছে সরকার যা খুব ইতিবাচক। তবে সেটি সময় সাপেক্ষ বলেও মন্তব্য করেন বিএমবিএ নেতারা।অন্তত সেই সময় পর্যন্ত বিষয়টি  বিবেচনার জন্য সরকারের নিকট অনুরোধ জানান নেতারা। 

ইএইচ/ জুন২০/ ২০১৯/ ১৪৫৫

*

*

আরও পড়ুন