বিকাশ-রকেট-নগদে ব্যালেন্স দেখার খরচ গ্রাহকের নয়

mobile-banking-techshohor

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিকাশ-রকেট-নগদের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স জানতে যে চার্জ বসানো হয়েছে তা গ্রাহককে দিতে হচ্ছে না।

মঙ্গলবার বিটিআরসি জানায়, নতুন নির্দেশনায় যেসব চার্জের উল্লেখ রয়েছে তা এমএফএস সার্ভিস প্রোভাইডাররা মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকে দেবে। আর এসব চার্জ গ্রাহকের উপর আরোপের কোনো সুযোগ নেই।

এর আগে চলতি সপ্তাহে এসএফএস খাতের জন্য জারি করা বিটিআরসির নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, প্রতিবার লেনদেন, ব্যালেন্স চেক বা স্টেটমেন্ট নেওয়াসহ নানা ধরণের কাজকে একেকটি সেশন ধরা হবে। এসব কাজ ইউএসএসডি হিসেবে পরিচিত, যেখানে লেনদেন শেষে ফিরতি এসএমএস পান গ্রাহকরা আবার ব্যালেন্স দেখতে একটি শর্টকোড ডায়াল করলে ফিরতি এসএমএস আসে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি সেশনের সময় হবে ৯০ সেকেন্ড। প্রতি ৯০ সেকেন্ডের একেকটি সেশনের জন্যে মোবাইল ফোন অপারেটরদেরকে ৮৫ পয়সা করে দিতে হবে।

একেকটি সেশনের মধ্যে দুটি এসএমএসও থাকবে। যেখানে ব্যালেন্স চেকের এসএমসের জন্য চার্জ হবে ৪০ পয়সা।

আর এই চার্জ নিজেদের দিতে হবে ভেবে ক্ষুব্ধ মনোভাব প্রকাশ করছেন ব্যবহারকারীরা।

ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা মাধ্যমে সমালোচানার ঝড় উঠেছে। নিজ অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স জানতে এসএমএস চার্জ দিতে হবে এটিকে ‘অবিবেচনাপ্রসূত’ খরচ ভাবছেন অনেকে।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বিটিআরসি মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে রেভিনিউ ও নন-রেভিনিউ জেনারেটিং ট্রান্সজেকশন এবং টেলিকম সম্পদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার।

এর উপর প্রতিটি সেশনের জন্য মূল্য নির্ধারণ করে ২০১৮ সালের ১৪ আগস্ট এমএফএসগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। সে হিসেবে গত ১০ মাস ধরে এমএফএসরা মোবাইল অপারেটরগুলোকে চার্জ দিয়ে আসছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এমএফএসগুলো ক্যাশ আউট, ক্যাশ ইন ইত্যাদি ট্রান্সজেকশনে আয় করে আর ব্যালান্স চেক, পিন নম্বর পরিবর্তন ইত্যাদি ট্রান্সজেকশনে কোনো আয় করে না। এখন উভয়ক্ষেত্রে আরোপিত প্রতি সেশনের মূল্য মোবাইল ফোন অপারেটরদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার জন্য এমএফএস অপারেটরদের উপর প্রযোজ্য হচ্ছে।

‌’এতে নতুন করে গ্রাহকের উপর বাড়তি কোনো চার্জের সুযোগ নেই। তাই নতুন নির্দেশনায় কোনো গ্রাহক কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ হবেন না’ উল্লেখ করে বিটিআরসি।

এডি/জুন১৮/২০১৯/১৯০০

*

*

আরও পড়ুন