STE 2019 (summer) in news page

ভয়েস কলের অ্যাপ চালুর লাইন লেগেছে

Laptop fair 2019 (in page)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অ্যাপের মাধ্যমে ভয়েস কল চালু করতে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের মধ্যে বেশ সাড়া পড়েছে। নতুন আরও সাত কোম্পানি এ সেবা চালু করতে আবেদন করেছে।

গত বছরের শেষ দিকে নভোকমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইন্টারক্লাউড লিমিটেড চালু করে ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপ। তারা ভালো করায় আরও পাঁচ কোম্পানি লাইসেন্স পায়।

হোয়াটসঅ্যাপ-ভাইবারের মতো অ্যাপগুলোতে ইন্টারনেট ব্যবহার করে
শুধু অ্যাপ হতে অ্যাপে কথা বলা যায়। আর এ অ্যাপগুলোতে সাধারণ মোবাইল নেটওয়ার্কে বা ল্যান্ডলাইনেও কথা বলা যায়। অন্যদিকে আইপি ফোন হতে এ অ্যাপে কথা বলতে কোনো খরচ লাগে না।

এখন আরও সাতটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) এ লাইসেন্স পেতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) আবেদন করেছে।

কোম্পানিগুলো হলো- বিটিএস কমিউনিকেশন, রেইস অনলাইন, এইচএন টেলিকম, সিস্টেমস সল্যুশন অ্যান্ড টেকনোলোজি, এডিএন টেলিকম, ফিউশন নেট ও অগ্নি সিস্টেমস।

তবে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর আপত্তির প্রেক্ষিতে কমিশন নতুন করে লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে ধীরে চলো নীতি নিয়েছে।

সম্প্রতি ফোন অপারেটরগুলো আইপিটিএসপি অপারেটরের অ্যাপভিত্তিক ভয়েস কলের অনুমোদন দেওয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

যদিও গত ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ আইসিসি কমিউনিকেশন্সকে ভয়েস অ্যাপ চালুর লাইসেন্স দেওয়ার সময় দেশব্যাপী এ সেবা চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, আবেদনপ্রাপ্তি সাপেক্ষে দেশের সব আইপি টেলিফোনি সেবা দাতাদের অ্যাপভিত্তিক কলিং সেবা চালুর অনুমোদন দেওয়া হবে।

দেশে এখন আইপিটিএসপি সেবার জন্য ৪১ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স রয়েছে।

গত বছর ২৪ এপ্রিল প্রথম এ লাইসেন্সের অনুমোদন পায় ইন্টারক্লাউড লিমিটেড। পরে ডিসেম্বরে আরও চার কোম্পানি আম্বার আইটি, বিডিকম অনলাইন, মেট্টোনেট বাংলাদেশ ও লিংক থ্রি টেকনোলজি লাইসেন্স পায়। ফেব্রুয়ারিতে অনুমোদন পায় আইসিসি কমিউনিকেশন্স।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইপিটিএসপিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাপে ভয়েস কল সেবা দিতে শুরু করলে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর আয়ে প্রভাব পড়বে। সে কারণেই মোবাইল অপারেটররা এর বিরোধীতা করছে।

এ অ্যাপ চালুর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় শর্ত হিসেবে কোনো বিদেশি কল- ইনকামিং বা আউট গোয়িং পরিচালনা করা যাবে না। তাছাড়া সেবাটি অবশ্যই বিটিআরসির আইনগত ইন্টারসেপশন মেনে চলতে হবে।

একই সঙ্গে তাদেরকে প্রতিটি গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহে রাখতে হবে এবং পাঁচ কোটি টাকা ব্যাংকে জামানত রেখে সেবা পরিচালনা করতে হবে।

জেডএ/আরআর/২৬ মে/২০১৯/২.৩৫

*

*

আরও পড়ুন