মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে ডিজিটাল বাংলাদেশের কর্মকাণ্ড তুলে ধরলেন পলক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ অগ্রসর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বুধবার এস্তোনিয়ার রাজধানী তাল্লিনে ‘পঞ্চম ই-গভর্নেন্স সম্মেলন ২০১৯’-এর দ্বিতীয় দিনে মিনিস্ট্রিয়াল প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন।

কনফারেন্সে প্রতিমন্ত্রী আলোচক হিসেবে অংশ নেন। উক্ত সেশনে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

প্যানেল আলোচনায় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্রুতগতির ইন্টারনেটের যুগে নিজ সোসাইটির ট্রান্সফর্মেশন করেছে।

সম্মেলনে পলক, ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প ২০২১ ঘোষণার কথা জানিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য যে চারটি পিলার নির্ধারণ করা হয়েছে সেগুলো তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত দশ বছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দশ লাখ জনবলের কর্মসংস্থান হয়েছে, যা আগামী পাঁচ বছরে আরও দশ লাখে উন্নীত হবে।

তিনি বলেন গত দশ বছর আগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৫ মিলিয়ন। ইন্টারনেটের দাম বেশি হওয়ার কারণে মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারতো না। বর্তমান সরকার দাম কমিয়ে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে এনেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দিচ্ছে। এর ফলে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যা বেড়ে প্রায় সাড়ে ৯ কোটিতে পৌঁছেছে এবং আগামী পাঁচ বছরে দেশে শতভাগ ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করা হবে।

ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি ছাড়া ডিজিটাল ইকোনমি সম্ভব নয় উল্লেখ করে পলক বলেন, সরকার শহর থেকে গ্রামে ডিজিটাল সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দিতে ৫ হাজার ডিজিটাল সার্ভিস সেন্টার স্থাপন করেছে। প্রতি মাসে ৬ মিলিয়ন মানুষ এই ডিজিটাল সেন্টার হতে দুই শতাধিক বিভিন্ন সেবা পাচ্ছেন। আগামী পাঁচ বছরে ৯০ শতাংশ সরকারী সেবা অনলাইনে দেয়া হবে এবং প্রায় ২০০০ নতুন সেবা অনলাইনে চালু করা হবে।

বর্তমানে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি রপ্তানি আয় এক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এই খাত থেকে আয় আরও বাড়াতে সরকার উদ্যোক্তাদের জন্য ফাইন্যান্সিয়াল সাপোর্ট প্রদান, মেন্টরিং, কোচিং ও রিসার্চ ডেভেলপমেন্টের জন্য ২৮টি হাইটেক পার্ক প্রতিষ্ঠার কথাও তুলে ধরেন।

আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে স্টার্টআপ কালচার তৈরির জন্য আন্তর্জাতিক মানের ইনোভেশান ডিজাইন অ্যান্ড এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করছে। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সেশনে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীরা অংশগ্রহণ করেন।

ইএইচ/মে২৩/ ২০১৯/ ১৬৪৫

*

*

আরও পড়ুন