ফাইভজি নাকি আবহাওয়ার পূর্বাভাস?

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : যদি বলা হয় ফাইভজির গতি চান নাকি যথাযথ আবহাওয়ার পূর্বাভাস চান তাহলে কোনটা বেছে নেবেন? আপাত দৃষ্টিতে দুটি দুই বিষয়। কিন্তু দুটির মধ্যে কোনটি বেশি জরুরি তা ভাবার সময় এসে গেছে।

কারণ গত কয়েক মাস ধরেই নাসা ও যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নোয়া) বলে আসছে, আবহাওয়ার পূর্বাভাসের তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করবে ফাইভজি নেটওয়ার্ক।

নোয়া এর প্রধান নেইল জেকব বলেছেন, বাধা সৃষ্টি হওয়ার ফলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ৩০ শতাংশ কম নির্ভুল হবে। এ কারণে আবহাওয়ার পূর্বাভাসের মান প্রায় ৪০ বছর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।

ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ ঘূর্ণিঝড় আসার আগে বসত বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় যাওয়ার জন্য দুই-তিন দিনের বেশি সময় পাবেন না। কারণ ঠিক কোন সময় ঝড় আসবে সে সম্পর্কে নির্ভুল তথ্য নাও মিলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের রেডিও, টেলিভিশন, তার, স্যাটেলাইট ও ক্যাবল নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশন টেলিকম কোম্পানিগুলোর কাছে ২৪ গিগাহার্টজ ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড বিক্রি করা শুরু করে মার্চে। তখন থেকেই তীব্র আপত্তি জানিয়ে আসছেন নাসা, নোয়া ও আমেরিকান মেটেরোজিকাল সোসাইটির বিজ্ঞানীরা।

চলতি সপ্তাহে সিনেটর রন ওয়াইডেন ও মারিয়া কান্টওয়েল এফসিসির চেয়ারম্যান অজিত পাইকে একটি চিঠি লিখেছেন। সেখানে সমাধান খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত ২৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ডের ব্যবহার করা ও নিলাম স্থগিত রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

২৪ গিগাহার্টজ ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে নোয়া কারণ তারাও ২৩ দশমিক ৮ গিগাহার্টজ স্পেক্ট্রাম ব্যবহার করে আবহাওয়ার তথ্য সংগ্রহ করে। সমস্যা হলো ফাইভজি রেডিও ক্যারিয়ারগুলোর ব্যবহার করা ২৪ গিগাহার্টজ ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যবেক্ষণ করা স্যাটেলাইটের সেন্সরগুলোর কাজে বাধা দেবে।

সিনেট ও উইয়ার্ড অবলম্বনে এজেড/ মে ১৮/২০১৯/১৪৪০

আরও পড়ুন –

ফাইভজিতেই নিয়ন্ত্রণ গরুর দল

ফাইভজির জন্য স্পেকট্রাম ব্যান্ড ঠিক করছে বিটিআরসি

মাঝারি বাজেটের ফাইভজি ডিভাইসের জন্য আরও অপেক্ষা!

*

*

আরও পড়ুন