ব্যবসার ডিজিটাল রূপান্তরে কর্মসংস্থান বাড়ছে : মোস্তাফা জব্বার

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে ব্যবসা বাণিজ্যের ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। 

তিনি বলেন, আগামী দু-এক বছরের মধ্যে দেশের সবগুলো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই ডিজিটাল কমার্সের আওতায় এসে যাবে। 

শুক্রবার ঢাকার জিপিও চত্বরে ডাক অধিদপ্তর এবং ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ই-কমার্স মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের হাজার হাজার তরুণ তরুণী ই-কমার্সে যুক্ত হয়েছে। তারা নিজেদের কর্মসংস্থান নিজেরাই তৈরি করছে। অন্যদেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ করছে। 

তিনি বলেন, এই খাতের চ্যালেঞ্জের জায়গাগুলো যা ছিলো তার প্রায় সবগুলোই অতিক্রান্ত হয়েছে। বড় চ্যালেঞ্জটি ছিলো পণ্য গ্রাহক পর্যায়ে নিরাপদে পৌঁছানো। ডাক অধিদপ্তরের ৪৩ হাজার কর্মীবাহিনী এবং গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ডাক অধিদপ্তরের বিশাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সেটাও সফলজনকভাবে অতিক্রম করা হয়েছে।

সভ্যতার বিকাশের প্রথম স্তরগুলোতে পিছিয়ে থাকায় প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, গত দশ বছরে শত শত বছরের পশ্চাৎপদতা অতিক্রম করে  এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। আমরা এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ পাচ্ছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন দৃশ্যমান।

মন্ত্রী গ্রাহক সন্তুষ্টির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানের বিষয়টি ই-ক্যাব কর্মকর্তাদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, গ্রাহক সন্তুষ্ট না থাকলে ব্যবসা শোরুম বা এনালগ পদ্ধতি কিংবা ডিজিটাল পদ্ধতিতেই করা হোক না কেন ব্যবসার সফলতা আসবে না। ক্রেতা বা ভোক্তা স্বার্থ রক্ষা করতে পারলে মানুষ ডিজিটাল ব্যবসার প্রতি মানুষ প্রচলিত ব্যবসার চেয়ে অনেক বেশী আস্থা রাখতে পারে। এই ব্যাপারে আইনগত কাঠামো তৈরিতে সহযোগিতাসহ ডিজিটাল কমার্স বিকাশে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানে সরকার বদ্ধপরিকর বলেন মন্ত্রী।

টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ডিজিটাল ব্যবসা প্রসারে ট্রেড বডির
একটি বড় ভুমিকা থাকে উল্লেখ করে বলেন, ই-ক্যব সদসরা গ্রাহকদের সাথে যাতে কোন প্রকার প্রতারণা করতে না পারে, গ্রাহক সন্তষ্টি যাতে নিশ্চিত করা যায় এক্ষেত্রে ই-ক্যাবকে ভূমিকা রাখতে হবে। 

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, ডাক
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সুধাংশু শেখর ভদ্র, সাবেক মহাপরিচালক সুশান্ত
কুমার মন্ডল, ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সার, সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াহেদ তমাল এবং দারাজ সিইও সৈয়দ মোস্তাহিদল হক বক্তৃতা করেন।

উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী মেলার স্টলগুলো ঘুরে দেখেন। মেলায় মোট ৮০টি স্টল স্থান পেয়েছে।

ইএইচ/মে ১৭/২০১৯/২২৩৮

*

*

আরও পড়ুন