ফেইসবুকে অঞ্জন দত্তের ঘোষণা...

Robi Before feture image

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অঞ্জন দত্ত। এক নামেই যার পরিচয়। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক একটি ঘোষণা দিয়েছেন।

ঘোষণাটি হচ্ছে, ২৫ বছর পর একই সঙ্গে তার ছেলে শিল্পী ও সংগীত পরিচালক নীল দত্তের সঙ্গে মিলে একই মঞ্চে গান গাইবেন।

সর্বশেষ তারা ১৯৯৩ সালে কলকাতার জ্ঞান মঞ্চে একসঙ্গে গেছেন বাবা-ছেলে। তারপর অবশ্য একসঙ্গে যে গান করেননি তা নয়। কিন্তু সেই ২৫ বছর আগের সময়টাকে স্মরণ করতেই আবারও একসঙ্গে গাইবেন বলে জানিয়েছেন বেলা বোসের এই শিল্পী।

ফেইসবুক পোস্টে অঞ্জন দত্ত জানিয়েছেন, প্রায় পঁচিশ বছর পেরিয়ে গেলাম গান করে। ১৯৯৩-তে শুরু। প্রায় চল্লিশ বছরের আমি আর আমার ১২ বছরের পুত্র নীল। নীল এর গিটারটা ওর মায়ের কাছ থেকে পাওয়া, বর্মায় কেনা অ্যাকুয়েস্টিক গিটার।

নীলের ডাকনাম গদত। আমরা দুজন দুটো গিটার নিয়ে মঞ্চে গান করে গেছি। যদিও পর পর ক্যাসেটে অনেক যন্ত্র বেজেছে, প্রোগ্রামে আমরা দুটো গিটার নিয়ে সেই একই গান করেছি, এবং লিলুয়া থেকে লন্ডন, দর্শক সেটাই শুনে আনন্দ পেয়েছে। এই করে প্রায় চার-পাঁচ বছর। তারপর অন্যান্য মিউজিশিয়ান যোগ দেয়।

সারেগামা কোম্পানি থেকে আমাদের শেষ সিডি ‘আমি আর গদত’।

আজ এতদিন পর মনে হলো সেই পুরনো মেজাজটাতে ফিরে গেলে কেমন হয়। আমরা দুজনে প্রথম শো করেছিলাম টিকিট বিক্রি করে জ্ঞান মঞ্চে ১৯৯৩-তে। তাই আবার ২৫ বছর পর সেই জ্ঞান মঞ্চে ৬ জুন। যদিও অনেক নতুন গান থাকবে, নীলের লেখা, আমার লেখা পুরোনো কিছু গানও গাইবো। সংগীত পরিচালক হিসেবে নীলের অনেক সিনেমার গান আছে যেটা ওর পরিচয়। আবার ওর করা সুরেও গান করেছি আমি।

দুজনেরই বয়স বেড়েছে। এই শহরের বয়স বেড়েছে। আপনাদের ও অভিজ্ঞতা বেড়েছে। কষ্ট বেড়েছে। নোংরামি, হিংসে, আপোষ, বোকামি, অসহিষ্ণুতা বেড়েছে। সব থেকে বেশি বেড়েছে মধ্যমেধা। এই ভার্চুয়াল দুনিয়ায় মুড়ি আর মিছরির তফাৎ ভুলেছে অনেকেই।

তবুও কান্না পায়। রুমাল ভেজে। আবার রুমাল শুকিয়ে যায়। গিটার বাজে। তবুও শহরের সব নোংরামি সত্বেও কলকাতা ছেড়ে থাকতে কষ্ট হয়।

এরপর তিনি একটিই শো হবে বলে জানিয়ে টিকিট কিনতে একটি ফোন নম্বরে যোগাযোগ করার কথা লেখেন।

আগামী জুলাইয়ে অঞ্জন দত্তের বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। এবার গানের জন্য নয়, বরং অভিনয়ের জন্য তিনি আসবেন বলে শোনা যাচ্ছে। এছাড়াও তার তৈরি একটি নাটক মঞ্চায়নেরও কথা রয়েছে বাংলাদেশে।

ইএইচ/ মে০৫/ ২০১৯/ ১৮২৫

*

*

আরও পড়ুন