কথা কমছে ডেটা বাড়ছে বাংলালিংকে

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অন্যান্য মোবাইল অপারেটরের মতো বাংলালিংকেও কথা বলার চেয়ে ডেটার ব্যবহার বাড়ার প্রবণতা দেখা গেছে।

গ্রাহক বিচারে তৃতীয় সেরা অপারেটরটিতে গত এক বছরে গ্রাহকদের প্রতি মাসে গড়ে কথা বলার পরিমাণ সাড়ে ১২ শতাংশ কমলেও উল্টো ডেটার ব্যবহার বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।

বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিয়নের সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে এমন পরিসংখ্যান উঠে এসেছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকের হিসাব অনুসারে গত বছরের প্রথম তিন মাসে তাদের ইন্টারনেট গ্রাহক গড়ে ৬০০ এমবি ডেটা ব্যবহার করতেন। চলতি বছরের একই সময়ে সেটি উঠে এসেছে ১ হাজার ২০০ এমবিতে।

এ সময়ে দেশে চতুর্থ প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবা চালু হয়েছে। এতে হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে মোবাইল ইন্টারনেটের ব্যবহার, যার সুবিধা পেয়েছে অপারেটরটি।

একই সময়ে অপারেটরটির কার্যকর ইন্টারনেট সংযোগও ১২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে দুই কোটি ৪ লাখ। ডেটা থেকে আয় বাড়াতে বড় ভূমিকা রেখেছে গ্রাহক বৃদ্ধির বিষয়টি।

জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে অপারেটরটি সব মিলে ডেটা থেকে ২২৪ কোটি ২২ লাখ টাকা আয় করেছে, যা এক বছর আগেও ছিল মাত্র ১৬৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

অন্যদিকে কথা বলা থেকে এক সময়ের দ্বিতীয় গ্র্রাহক সেরা অপারেটরটির মোট আয় কত তা জানা না গেলেও দেখা যাচ্ছে এখন গ্রাহকরা মাসে গড়ে ২৩২ মিনিট করে কথা বলার পেছনে খরচ করছেন। এক বছর আগেও এটি ২৭২ মিনিট। ২০১৬ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়েও গ্রাহকরা গড়ে ৩২২ মিনিট কথা বলেছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন ডেটার ব্যবহার বেড়েছে মূলত মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি কাজ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করছেন। বিনোদনের একটি বড় অংশও ছিল মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট কেন্দ্রিক।

অন্যদিকে ভয়েস কলের পরিমাণ কমতির দিকে দেখা গেলেও কথা বলা কমেছে এমনটি নয়। কেননা এখন অনেকেই মোবাইল ফোনের ভয়েস মিনিট খরচ না করে ডেটার মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে কথা বলছেন। ফলে ভয়েস কলের মিনিটের হিসাবে তা কমে গেছে।

বাংলালিংকের কর্মকর্তারা বলছেন, গত বছর ফেব্রুয়ারিতে তারা আরও ১০ মেগাহার্জ স্পেকট্রাম কেনে, যেটির কারণে তাদের নেটওয়ার্ক আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় ভালো হয়েছে। ফলে গ্রাহকরাও আগের চেয়ে বেশি গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেন। সে কারণে তাদের নেটওয়ার্কে ডেটার ব্যবহার বেড়েছে বলে মনে করছেন তারা।

জেডএ/আরআর/মে ০৫/২০১৯/১২.৫০

*

*

আরও পড়ুন