ফণীতে জরুরি অবস্থায় টেলিযোগাযোগ

Robi Before feture image

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সেবা নির্বিঘ্ন রাখতে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে টেলিযোগাযোগ খাতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এই প্রথম টেলিযোগাযোগ সেবায় আলাদা করে জরুরি অবস্থা জারি করা হলো।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার টেকশহরডটকমকে জানান,  দুর্যোগ কবলিত সময়ে, আক্রান্ত হওয়ার পরে স্বেচ্ছাসেবক, সাধারণ মানুষের যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যার উপর অনেক কিছুই নির্ভর করে। সেখানে এই টেলিকমিউনিকেশনের বিকল্প নেই।

‘সাবমেরিন ক্যাবল, বিটিসিএল, এনটিটিএন, টেলিটক, বেসরকারি মোবাইল যোগাযোগ, ইন্টারনেট সেবা, কল সেন্টারের সেবাগুলো সচল রাখার চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তাই খাতটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা’ বলছিলেন মন্ত্রী।

তিনি জানান, সকল প্রস্তুতি যা গ্রহণ করার দরকার আছে তা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে মগবাজারে বিটিসিএল টেলিকম কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল স্থাপন করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টা হতে এটি খুলে দেয়া হবে। এই সময়ের মধ্যে সকল জেলায় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে কেন্দ্রের সঙ্গে সংযুক্ত হতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটগুলো উপকূলীয় এলাকাগুলোতে জরুরি ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে।

রবির হেড অব করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স সাহেদ আলম টেকশহরডটকমকে জানান, ফণীর প্রভাব পড়তে পারে এমন এলাকায় ইতোমধ্যে নেটওয়ার্ক বিভাগের টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎতের ব্যাকআপ হিসেবে অতিরিক্ত জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

‘জরুরি এই সময়ের জন্য ২০০০ জেনারেটর, ৮০০ প্রকৌশলী ও কারিগরি কর্মীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে’ বলছিলেন তিনি।

সাহেদ আলম জানান, তাদের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারেও ফণী সম্পর্কে গ্রাহকদের তথ্য দিতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকাগুলো এই দুর্যোগে করণীয় ও সতর্কতা নিয়ে  এসএমএসও পাঠিয়েছেন তারা।

এছাড়া দুর্যোগের সময় কোন টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পরে সেটার সম্ভ্যবাত যাচাই করছে রবি। সে অনুযায়ী দুযোর্গ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত ওই টাওয়ার দ্রুত যেন নেটওয়ার্কে আনা যায়।

গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি তারা নিয়েছে। ফণীতে আক্রান্ত হতে পারে এমন এলাকায় তাদের জরুরি টিম তৈরি আছে। নেটওয়ার্ক ঠিক রাখতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবেন।

বাংলালিংক কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, তারাও প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এডি/মে০২/২০১৯/২২০০

*

*

আরও পড়ুন