ফাইবার অপটিক্যাল বাঁচাতে নীতিমালা হচ্ছে

Fibre-Optic-Cable-techshohor

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ফাইবার অপটিক্যাল কেবল জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের মর্যাদা পাচ্ছে। যত্রতত্র যাতে এটি নষ্ট না হয় সেজন্য একটি নীতিমালা করার কাজও শুরু হয়েছে।

দেশজুড়ে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের কাজের সময় প্রায়ই টেলিযোগাযোগের জন্য বর্তমানে অপরিহার্য হয়ে ওঠা ফাইবার অপটিক্যাল কেবল কাটা পড়ছে। এতে ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। কেবল বাঁচাতে নীতিমালায় এ বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে। আর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এ বিষয়ে সহায়তা করছে।

নীতিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করবে এবং তাদের অনুমোদন না নিয়ে কেউ রাস্তা খোঁড়াখুড়ি করতে পারবে না।

“এখন প্রায়ই দেখা যায় উন্নয়ন কাজ করতে গিয়ে ফাইবার অপটিক্যাল কেবল কাটা পড়ছে। এতে টেলিযোগাযোগ সেবা ব্যহত হচ্ছে এবং কোম্পানিগুলো ভয়াবহ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে। এমন ঘটনার দায়ও কেউ নিচ্ছেন না”- বলছিলেন নীতিমালা কমিটিতে থাকা বিটিআরসি’র এক সদস্য।

ওই কর্মকর্তা বলেন, যত্রতত্র রাস্তা খোঁড়াখুড়ির কারণে যথেচ্ছভাবে ফাইবার অপটিক কেবল কাটা পড়ছে, যা টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সেবার জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।অথচ সেবার মান ঠিক না থাকার কারণে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো দোষারোপের মুখে পড়ছে।

গত বছর প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্র্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সভাপতিত্বে ডিএনসিসি’র এক বৈঠকে ফাইবার অপটিক্যাল কেবলকে জাতীয় জরুরি সেবা উপাদান হিসেবে ঘোষণা করে এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হয়।

মোবাইল ফোন ও এনটিটিএন অপারেটরদের হিসেবে অনুসারে শুধু রাজধানী ঢাকাতেই মাসে গড়ে অর্ধশত বা এর চেয়ে বেশিবার ফাইবার অপটিক্যাল কেবল কাটা পড়ছে। সারা দেশের চিত্র আরও ভয়াবহ, যা মাসে কয়েকশ বার পেরিয়ে যায়।

দেশে এখন প্রায় এক লাখ দশ হাজার কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার কেবল আছে।

*

*

আরও পড়ুন