Header Top

২৮০% লভ্যাংশ অনুমোদন জিপির

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৮০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরায় ২২তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই ঘোষণা দেয় গ্রামীণফোন লিমিটেড।

এজিএমে গ্রামীণফোন তার শেয়ারহোল্ডারদের ২০১৮ সালের জন্য ১৫৫ শতাংশ চূড়ান্ত লভ্যাংশ এবং ১২৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশের অনুমোদন দিয়েছে।

২০১৮ সালে সর্বমোট লভ্যাংশ দাঁড়িয়েছে পরিশোধিত মূলধনের ২৮০ শতাংশ। যা শেয়ার প্রতি ২৮ টাকা করে। গ্রামীণফোন ফাস্ট-ট্র্যাক অনলাইন পদ্ধতিতে লভ্যাংশ বন্টন করবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান পিটার বি ফারবার্গ এবং গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ফোলিসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন। এবারের বার্ষিক সাধারণ সভা পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির কোম্পানি সেক্রেটারি এস. এম. ইমদাদুল হক।

বার্ষিক সাধারণ সভায় গ্রামীণফোনের প্রতি আস্থা রাখায় শেয়ারহোল্ডারদের ধন্যবাদ দেন। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং এর ফলে ব্যবসায় কেমন প্রভাব পড়তে পারে সেসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান। অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা ও আর্থিক কর্মক্ষমতার পাশাপাশি ফোরজি সফলতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী।

পিটার বি. ফারবার্গ বলেন, প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত যেকোনো নীতিমালা বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা আইন এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত পদ্ধতি অনুযায়ী হওয়া উচিত বলে মনে করে গ্রামীণফোন। এতে করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট খাতের সার্বিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি গতিশীল হবে। এসএমপি নীতিমালা এমন হওয়া উচিত নয় যার কারণে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধি, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের সুযোগ কমে যায়।

সাম্প্রতিক সময়ে অডিটের মাধ্যমে গ্রামীণফোনের কাছ থেকে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি  টাকা সরকারের পাওনা বিষয়ে  গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান ‘এ ধরনের দাবি আইনগতভাবে ভিত্তিহীন’ হিসেবে গণ্য করছে গ্রামীণফোন। সম্মানিত অংশীদারদের স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো ধরনের অগ্রহণযোগ্য দাবির বিরুদ্ধে গ্রামীণফোন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। দাবি প্রত্যাহার করে সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনায় বসতে বিটিআরসির প্রতি আবেদন জানান তিনি।

সভায় উল্লেখযোগ্য আলোচনা ছিল পরিচালকবৃন্দের প্রতিবেদন, নিরীক্ষকের প্রতিবেদন, কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণ ২০১৮, পরিচালকবৃন্দের নির্বাচন ও বিধিবদ্ধ নিরীক্ষক এবং কর্পোরেট গভর্নেন্স কমপ্লাইয়েন্স নিরীক্ষক নিয়োগ নিয়ে।

গত ২০০৯ সালে শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অন্তর্ভূক্তির পর এটা ছিল গ্রামীণফোনের দশম এজিএম।

*

*

আরও পড়ুন