প্রতিযোগিতা আইনের দোহাই দিচ্ছে জিপি

GP-Techshohor1

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : এসএমপি বিষয়ক বিধিনিষেধ নিয়ে গ্রামীণফোন প্রতিযোগিতা আইনকে সামনে নিয়ে এসেছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সম্প্রতি এসএমপি বিষয়ে গ্রাহক বিচারে শীর্ষ অপারেটরটির কাছ থেকে যে মতামত চেয়েছিল, সেটির জবাবে প্রতিযোগিতা আইনের দোহাই দেওয়া ছাড়াও তারা গ্রাহক স্বার্থ এবং নিজেদের বিনিয়োগের বিষয়টিও তুলে এনেছে।

গত ১৯ মার্চ আগের জারি করা বিধিনিষেধ তুলে নিয়ে বিটিআরসি এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের কাছে মতামত চেয়েছিল।

কয়েক দিন আগে অপারেটরটির উত্তর পাওয়ার পর কমিশন সম্প্রতি এক বৈঠকে তাদের চিঠি পর্যালোচনা করেছে। তবে গ্রামীণফোনের এসব উত্তরকে আমলে নিচ্ছে না বিটিআরসি।

গ্রামীণফোন বলেছে, যেভাবে তাদেরকে এসএমপি অপারেটর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং তাদের ওপরে যেসব বিধিনিষেধ আরোপ হতে যাচ্ছে সেটি প্রতিযোগিতাকে বিনষ্ট করবে।

গ্রামীণফোন বলছে, একদিকে সরকার প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে আইন করেছে; কিন্তু আবার তাদেরকে আটকে রাখা হচ্ছে। এটি তাদের বিবেচনায় স্ববিরোধিতা। তাই বিষয়টি পুনঃবিবেচনা করার আহবান জানিয়েছে অপারেটরটি।

তাছাড়া এর মাধ্যমে গ্রাহকও কম খরচে সেরা সেবা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে বলে মনে করছে গ্রামীণফোন।

অপারেটরটি বলছে, তারা প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে দেশব্যপী নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। কিন্তু এসব কিছুই কাজে আসবে না যদি তাদের ওপর বিধি-নিষেধ চাপিয়ে দেওয়া হয়।

এ দিকে গত সপ্তাহে সরকারের এক নীতিনির্ধারণী বৈঠকে খুব তাড়াতাড়িই গ্রামীণফোনের সর্বনিন্ম কল রেট অন্যদের চেয়ে একটু বাড়িয়ে দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে করে গ্রাহকরা হয়তো গ্রামীণফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও নিরুৎসাহিত হবে এবং বাজারে এক ধরণের ভারসাম্য তৈরি হবে। 

গত ১৯ মার্চ বিটিআরসি ১৫ দিনের সময় দিয়ে গ্রামীণফোনের কাছে এসএমপির ২০ বিধিনিষেদের বিষয়ে মতামত চায়।

তারও আগে অপারেটরটির ওপর আরোপ করার জন্য ২০টি বিধিনিষেধের একটি তালিকা করা হয়। এগুলোর মধ্যে থেকেই কয়েকটি গ্রামীণফোনের ওপর এখন কার্যকর করা হবে।

জেডএ/আরআর/এপ্রিল ২৩/২০১৯/১১.৫৮/

আরও পড়ুন –

জিপির কাছে ১২৫০০ কোটি টাকা আদায়ে অনমনীয় সরকার

এসএমপির নতুন বিধিনিষেধে জিপির কলরেট বাড়ছে

সফল হওয়া তো জিপির অপরাধ না!

*

*

আরও পড়ুন