এসএমপির নতুন বিধিনিষেধে জিপির কলরেট বাড়ছে

Robi Before feture image

আল-আমীন দেওয়ান, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : এসএমপির নতুন বিধিনিষেধে গ্রামীণফোনের কলরেট বাড়ানোর নির্দেশনা আসছে। এতে অপারেটরটির গ্রাহকদের বর্তমান কলরেট বাড়তে পারে। 

বুধবার টেলিযোগাযোগ বিভাগের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

বৈঠকে টেলিযোগাযোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হকসহ বিভাগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।   

নতুন করে এই এসএমপি বিধিনিষেধে অপারেটরটির ডেটা রেটও বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া কোয়ালিটি অব সার্ভিস নিয়ে জিপির ওপর বাড়তি কড়া নজর রাখা হবে। একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত যদি সেবার মান সন্তোষজনক না হয় তাহলে নতুন গ্রাহক বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।   

এর আগে গত ১৯ মার্চ আগের বিধিনিষেধ বাতিল করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তখন বিধিনিষেধ সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে প্রক্রিয়াটি নতুন করে শুরু করে কমিশন।

গ্রামীণফোনকে গত ফেব্রুয়ারিতে এসএমপি অপারেটর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর চারটি বিধিনিষেধ আরোপ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে ওই সময় শর্ত আরোপের ক্ষেত্রে পরিপূর্ণভাবে বিধি না নামার কারণে আগের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে নতুন করে প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়।

এ প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিল এসএমপি ঘোষিত অপারেটরকে তাদের ওপর আরোপ হতে চলা বিধিনিষেধ সম্পর্কে অবহিত করে মতামত জানতে চাওয়া।

গত ১৯ মার্চ বিটিআরসি ১৫ দিনের সময় দিয়ে গ্রামীণফোনের কাছে মতামত চায়। অপারেটরটি তাদের মতামত জানায়। 

এর আগে গ্রামীণফোনের ওপর আরোপ করতে ২০টি বিধিনিষেধের একটি তালিকা করা হয়। তার মধ্যে থেকেই চারটি শর্ত অপারেটরটির ওপর কার্যকর করার কথা বলা হয়।

চারটি শর্তের মধ্যে ছিল, এমএনপিতে আসা গ্রাহক আটকে রাখার সীমা কমানো, কর্পোরেট সেবার ক্ষেত্রে এক্সক্লুসিভিটি বা একক অধিকার না রাখতে দেয়া, কলড্রপের হার কমিয়ে দেয়া, নিজেদের সেবার প্রচার-প্রচারণায় বন্ধ রাখা।

এরপর বিষয়টি নিয়ে গ্রামীণফোন উচ্চ আদালতে গেলে তারা স্থগিতাদেশ পেয়ে যায়। একই সঙ্গে হাইকোর্ট পুরো প্রক্রিয়াটিকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চায় বিটিআরসির কাছে।

আইনি প্রক্রিয়া মোকাবেলার পাশাপাশি আগের বার পুরোপুরি বিধি অনুসরণ না করায় নতুন করে প্রক্রিয়া শুরু করতে হয় কমিশনকে।

জেডএ/এডি/এপ্রিল ১৮/২০১৯/০৩.০০

আরও পড়ুন – 

১২৫০০ কোটি টাকা পাওনাকে ভিত্তিহীন বলছে জিপি

সফল হওয়া তো জিপির অপরাধ না!

*

*

আরও পড়ুন