এসিএম-আইসিপিসিতে অংশ নিতে পারছে না দেশের চ্যাম্পিয়নরা!

Evaly in News page (Banner-2)

ইমরান হোসেন মিলন, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ভিসা না পাওয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রোগ্রামিং আসর এসিএম-আইসিপিসিতে অংশ নেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বাংলাদেশের।

আগামী ৩১ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত পর্তুগালে বসছে আসর। কিন্তু মার্চের ২৫ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের তিন সদস্য ও দুই মেন্টরের ভিসা হয়নি। আর তাতেই অনিশ্চিত হয়েছে পড়েছে এবারের আসরে অংশ নেবার বিষয়টি।

এই অবস্থায় দলটির সদস্যদের প্রশ্ন, আমাদের স্বপ্ন কী তাহলে পূরণ হবে না?

দলটির এক সদস্য মওদুদ খান শাহরিয়ার টেকশহরডটকমকে বলেন, প্রতিযোগিতার আর মাত্র ছয় দিন বাকি। এখনো আমরা ভিসা পাইনি। পাবার সম্ভাবনাও খুবই ক্ষীণ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে পর্তুগালের কোন অ্যাম্বাসি না থাকায় ভিসার আবেদন করতে হয় ফ্রান্সের মাধ্যমে। আমরা গত ২১ ফেব্রুয়ারি ফ্রান্স অ্যাম্বেসিতে শেনজেনের ভিসার জন্য আবেদন করি। সেসময় আমাদের কাছ থেকে বেশ কয়েক ধরনের কাগজপত্র চায়। আমরা সবগুলোই অ্যাম্বাসিতে জমা দিই।

এরপর গত ৭ মার্চ আমরা পাসপোর্ট নিতে গিয়ে জানতে পারি আমাদের ভিসা হয়নি। কারণ হিসেবে জানায়, আমাদের পর্তুগাল যাবার উদ্দেশ্য পরিষ্কার নয়। এমনকি তাদের আশঙ্কা আমরা ইউরোপে কোনভাবে ঢুকতে পারলে থেকে যাবো, বলেন মওদুদ খান।

মওদুদ খান জানান, সেখানে ভিসা রিজেক্ট হবার পর তারা বিভাগের চেয়ারম্যান এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্মরণাপন্ন হন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব তাদের আশ্বাস্ত করেন ভিসার ব্যাপারে তারা দেখবেন বলে।

কিন্তু আজ আমরা জানতে পারি, আমাদের ভিসার ব্যাপারে কোন অগ্রগতি হয়নি এখনো। এখন তো আশা ছেড়েই দিয়েছি আমরা। কারণ হাতে আছে মাত্র ছয় দিন সময় বলেন, মওদুদ খান।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এতো মর্যাদাপূর্ণ একটা প্রতিযোগিতা, অথচ বাংলাদেশ সুযোগ পেয়েও যেতে পারছে না। এটা খুবই আক্ষেপের। অনেকটা বেদনারও। আমাদের বিশ্বজয়ের স্বপ্ন কী তবেই ভিসার কারণে অধরা থাকবে?

৩১ মার্চের মধ্যে যদি ভিসা পেয়ে যান তবে তারা অংশ নিতে পারবেন। কারণ মূল যে প্রতিযোগিতা তা বসবে ৪ এপ্রিল। তাই সরকারের পক্ষ থেকে এখন কেউ এগিয়ে আসলেই তবে সেটা সম্ভব বলে মনে করেন দলটির সদস্যারা।

এর আগে বাংলাদেশ পর্বে এসিএম-আইসপিসির চ্যাম্পিয়ন হয় শাবিপ্রবির দল। দলটির সদস্য মওদুদ খান শাহরিয়ার, জুবায়ের আরাফ ও অভিষেক পাল। তাদের মেন্টর ও গাইড হিসেবে যাবার কথা ছিল শাবিপ্রবির সিএসই বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক বিশ্বপ্রিয় চক্রর্বতী এবং প্রভাষক মেহেদী হাসান নাহিদের।

গত ১০ নভেম্বর দেশে বাছাই পর্বে ১০১টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন আইটি ইন্সটিটিউটের ২৯৮টি দল অংশগ্রহণ করে। যার প্রতি দলে ছিল তিনজন করে প্রতিযোগী। দেশের দল ছাড়াও এবার অংশ নিয়েছিল নেপাল থেকে আসা তিনটি দল।

ইএইচ/মার্চ২৫/২০১৯/২৩১০

আরও পড়ুন : দেশ সেরা তিন প্রোগ্রামার

এসিএম-আইসিপিসি বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন সাস্ট

*

*

আরও পড়ুন