স্থানীয় তরুণরাই কাজ করবে কক্সবাজার হাইটেক পার্কে : পলক

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : কক্সবাজারে নির্মাণাধীন হাইটেক পার্কের কাজ শেষ হলে সেখানে স্থানীয় তরুণ-তরুণীরাই কাজ করবে বলে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এজন্য তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, যদি স্থানীয় তরুণ-তরুণীদের সঠিক প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রশিক্ষিত করতে পারি তবে তাদের আর ঝুঁকি নিয়ে বাইরে যেতে হবে না।

শুক্রবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আয়োজিত শেখ রাসেল ডিজিটাল ও ভাষা প্রশিক্ষণ ল্যাবের শিক্ষকবৃন্দ, ইউডিসি উদ্যোক্তা এবং ইনফো সরকার ৩য় পর্যায় প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা যে শেখ রাসেল কম্পিউটার ও ভাষা প্রশিক্ষণ ল্যাব স্থাপন করেছি সেগুলোতে  সঠিকভাবে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। তবেই এর সঠিক মূল্যায়ন হবে। প্রয়োজনে শিক্ষকদের আরও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

পলক বলেন, সরকার শেখ রাসেল ডিজিটাল ও ভাষা প্রশিক্ষণ ল্যাবে যে কোটি কোটি টাকা খরচ করে ইকুইপমেন্ট কিনেছে তা অব্যবহৃত অবস্থায় ফেলে রাখা যাবে না। সেটার যথাযথ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে স্কুলের শিক্ষকদের।

কক্সবাজারের তরুণদের একটা বড় সমস্যা হলো, তারা সাগড় পাড়ি দিয়ে অবৈধ উপায়ে বিদেশ যেতে চায়। এসব ঝুঁকি না নিয়ে বরং তারা তথ্যপ্রযুক্তিতে সঠিক প্রশিক্ষণ নিলেই দেশে বসে জীবন বদলে ফেলতে পারেন, বলেন তিনি।

কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের নেওয়া বিশদ পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

কক্সবাজারে এখন ১৫৪ কোটি টাকায় পাঁচ একর জমিতে একটি হাইটেক পার্ক নির্মাণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এটি নির্মাণ সম্পন্ন হয়ে অন্তত ৫ হাজার কর্মসংস্থান হবে বলে জানান তিনি।

হাইটেক পার্কটির নির্মাণ কাজ চলতি বছরের মধ্যেই পুরোদমে শুরু হবে। ২০২১ সালের মধ্যে কাজ শেষ হবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

পলক মতবিনিময় সভা ছাড়াও বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের আওতাধীন কক্সবাজারের কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন পরিদর্শন করেন। পরে পর্যটন প্রিয় ৩৪টি স্থানে ৭৪টি ফ্রি ওয়াইফাই জোন স্থাপনের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য জাফর আলম, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রকল্প পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফাসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদের তিন শতাধিক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তারা।

ইএইচ/ফেব্রু৮/২০১৯/১৭০০

*

*

আরও পড়ুন