Samsung IM Campaign_Oct’20

কোন বয়সে কতটা স্ক্রিন টাইম

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : স্ক্রিন টাইম, বর্তমানের আলোচিত একটি বিষয়। শিশু, বড় সবাই পর্দার সঙ্গে আটকে থাকছেন যেন। এর স্বাভাবিক মাত্রা কেমন, বিশেষ করে শিশুদের জন্য।

ছোট্ট শিশুটিও এখন ঘুমপাড়ানির গানের চেয়ে মোবাইল পর্দায় ছড়া শুনতে বেশি পছন্দ করে।

অনেক মা বাবার জন্য বিষয়টি বেশ স্বস্তির হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি বেশ ক্ষতিকর। শিশুদের ভবিষ্যত জীবনের ওপর এই স্ক্রিন টাইমের ব্যাপক খারাপ প্রভাব রয়েছে।

শিশুদের বেড়ে ওঠার ওপর টেলিভিশন ও মোবাইলের পর্দার অতি-ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক নির্ণয় করতে তাই গবেষণা শুরু হয়েছে।

প্রাথমিক ক্ষতি
গবেষণাটি চালানো হচ্ছে ১১ হাজার শিশুর ওপর। এটির প্রাক ফলাফলে দেখা গেছে যেসব শিশু দৈনিক শুধু দুই ঘণ্টা সময় পর্দার সামনে ব্যয় করে তারা কয়েক ধরনের পরীক্ষায় খারাপ করছে।

বিশেষ করে যেসব পরীক্ষা চিন্তা ও ভাষা কেন্দ্রিক। ভার্চুয়াল ও বাস্তবের মধ্যে ব্যবধান তৈরি করতেও তাদের বেশ কষ্ট হয়।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডা. দিমিত্রি ক্রিস্টাকিসের মতে, শিশুরা পর্দার দ্বিমাত্রিক অভিজ্ঞতাকে বাস্তব তৃমাত্রিক জীবনে লাগাতে পারে না। তিনি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে স্ক্রিন টাইম গাইডলাইন প্রণয়ন করেন।

তিনি বলেন, যদি একটি শিশুকে ভার্চুয়াল লেগো খেলা শেখান সেটি বাস্তব লেগো খেলায় কোনও কাজে আসে না। কারণ শিশুরা এর ব্যবধান বুঝতে পারে না।

যতটা সম্ভব দূরে রাখুন
সাম্প্রতিক সময়ে তৈরি স্ক্রিন টাইম গাইডলাইনে বলা হয়েছে, শিশুদের যতটা সম্ভব পর্দা থেকে দূরে রাখতে। মুখোমুখি যোগাযোগের ওপর বেশি প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে।

১৮ মাসের কম বয়সী শিশুদের কেবল ভিডিও কলিংয়ের বাইরে কোনও স্ক্রিন টাইম না দিতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে এও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে যখনই কোনও শিশু পর্দার সামনে সময় কাটাবে তখনই যেন পরিবারের কেউ একজন তাকে সঙ্গ দেন।

কোনও শিক্ষণীয় কিছু দেখার ক্ষেত্রে যেন দেখার সঙ্গে সঙ্গে সেটি হাতেও করেন, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

কোন বয়সে কতটা স্ক্রিন টাইম?
শিশুদের স্ক্রিন টাইম নীতিমালায় বলা হয়েছে
• ১৮ মাসের কম বয়সী শিশুদের ভিডিও কল ছাড়া আর কিছুই দেওয়া উচিত নয়।
• ১৮-২৪ মাসের শিশুদের হাই কোয়ালিটি ভিডিও কনট্যান্ট দেখানো যেতে পারে। তবে সঙ্গে যেন সবসময় একজন থাকেন তিনি বুঝিয়ে দেবেন বা বাস্তবে করতে সাহায্য করবেন।
• ২-৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য পর্দার সামনের সময় এক ঘণ্টার বেশি হওয়া উচিত নয়। এক্ষেত্রেও পরিবারের একজনের সঙ্গে থেকে বুঝিয়ে দেওয়া বাঞ্ছনীয়। এতে যোগাযোগ ক্ষমতা বাড়বে।
• ৬ বছর বা তারচের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য একটি নির্ধারিত সময় বেঁধে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে পর্দার সময় যেন শিশুর ঘুম ও স্বাভাবিক জীবনে ব্যাঘাত না ঘটায়। তবে স্ক্রিন টাইম দুই ঘণ্টার বেশি হওয়া উচিত নয়।

সূত্র: ইনসাইডার, থ্রাইভ গ্লোবাল

এমআর/আরআর/জানু. ১৭/২০১৮/১১.৩১/

*

*

আরও পড়ুন