মোবাইলে শুধু কথা হবে নেট থাকবে ধীর

phone-network-techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে মোবাইল ফোনে থ্রিজি ও ফোরজি সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হচ্ছে।

বিটিআরসির কাছ থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পরই সবগুলো অপারেটর দ্রুত গতির মোবাইল নেটওয়ার্কের সেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর করে শুধু টুজি চালু রেখেছে।

নির্বাচন কমিশনের পরামর্শে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকালে বাংলাদেশ ব্যাংক ভােটের দু’দিন আগে শুক্রবার বিকাল থেকে ভোটের সময় পর্যন্ত মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বৃহস্পতিবার রাত দশটার দিকে সবগুলো মোবাইল ফোন অপারেটরকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সারা দেশে দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দেয়।

এ সময়ে টুজি’র ভয়েস ও ডেটা সেবা আগের মতোই চালু থাকবে বলে জানানো হয় নির্দেশনায়।

মোবাইল ফোনের ইন্টারনেটের গতি কমানো হলেও ব্রডব্যন্ডের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। তবে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়েগুলোকে জরুরি পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে বলা হয়েছে।

দেশে বর্তমানে আট কোটি ৬০ লাখের বেশি মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ আছে। এর মধ্যে ছয় কোটি সংযোগের বিপরীতে আছে থ্রিজি সংযোগ।

কমিশনের এমন সিদ্ধান্তে বিপুল সংখ্যক গ্রাহক দ্রুত গতি ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করতে পারবেন না।

বিটিআরসির নির্দেশনার পরপরই অপারেটরগুলো ফোরজি ও থ্রিজি সেবার নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেওয়ায় এখন শুধু টুজি চালু রয়েছে।

এতে এখন মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার একপ্রকার বন্ধই হয়ে গেছে বলে গ্রাহকরা জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, টুজিতে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেও তা খুবই ধীর। এ নেটওয়ার্কে ইন্টারনেটে তেমন কোনো কাজ করা যাবে না।

টুজি ইন্টারনেটে ম্যাসেজ পাঠানো ও গ্রহণ করা গেলেও ছবি ও ভিডিও পাঠানো সম্ভব হবে না। ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়ার কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করাও দূরহ হয়ে যাবে।

বিটিআরসি’র কাছ থেকে এ বিষয়ে অনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া না গেলেও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগে থেকেই মোবাইল ইন্টারনেটের গতি ধীর করার পরিকল্পনা করছিল। ইসি সচিবও এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

দ্রুত গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করে ভোটের আগে ও পরে গুজব ছড়ানোসহ নাশকতা বন্ধের জন্যই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইসির নির্দেশনার প্রেক্ষিতে রোববার একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরুর আগে বিটিআরসি এমন ব্যবস্থা নিয়েছে।

এসজেড/আরআর/ডিসে. ২৮/২০১৮/১২.৩৫

*

*

আরও পড়ুন