সিরিজ হারেও আম্পায়ারিং বিতর্কে তপ্ত ফেইসবুক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : খেলার তখন খুবই উত্তেজনাকর অবস্থা। বাংলাদেশ এক উইকেট হারিয়ে চার ওভার শেষের আগেই ৫০ রান তুলে নিয়েছে।

কিন্তু চতুর্থ ওভারেই আম্পায়ারের এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তে ঝড় তুলে দেয়।

শাহিদ রহমান অরিন লিখেছেন, আমার যতদূর মনে পড়ে, এটা সেই দুর্নীতিবাজ আম্পায়ার তানভীর আহমেদ, বার বার ভুয়া ডিসিশনের জন্য ব্যাট হাতে তামিম যাকে পেটাতে গিয়েছিল। এটা সেই তানভীর আহমেদ, যে গত বিপিএলে সবচেয়ে বেশি বার ভুয়া আউট দিয়েছে। আর আজ বাংলাদেশের টুয়েলভ ম্যান হয়ে মাঠে নেমেছে। আমি কি ভুল লিখলাম?

এমন ভাবে বাংলাদেশে জেতা লজ্জার বিষয় জানিয়ে মো. বেলাল হোসেন লিখেছেন, এই ভদ্রলোক আম্পায়ার হিসেবে অত ভালো না সেটা বিপিএলে ও ঘরোয়া লিগেই প্রমাণ দিয়েছেন। এতো উইক আম্পায়ারিং দিয়ে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট এ আম্পায়ারিং করা যায় না। এটা আমাদের জন্যে লজ্জার।

নিজের টাইমলাইনে বিষয়টির সমালোচনা করে আসগর বকুল লিখেছেন, তোমরা যে যাই বল এটা নো বল ছিল না এবং আউট ছিল। আগেও একবার একইভাবে নো বল দেয়া হয়েছিল। আমি অন্তত দলকানা নই।

লিটন দাসের চমৎকার শুরু দেখে আতাউর রহমান শরীফ লিখেছেন, লিটন দাস যেভাবে প্রতি ম্যাচে বোলারদের ইচ্ছেমত পিটাচ্ছে তাতে বলা যায়, ক্রিকেট বিশ্ব নতুন বীরেন্দ্র শেবাগ পেল। লাভ ইউ লিটন দাস।

কিন্তু সেই লিটন দাসকেই আউট দেওয়া নিয়ে বিতর্কের জন্ম দেন আম্পায়ার। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই আউট হোন লিটন দাস। তার আউটকে তাই অনেকেই গিলটি ফিলিং থেকে হয়েছে বলে বলছেন। দেব দুলাল গুহ লিখেছেন, পল নয়, গিল্টি ফিলিংই আউট করলো।

এমন আম্পায়ারিং ই কি আমরা চেয়েছিলাম!!! আফসোস করে লেখেন মানিক মোহাম্মদ আলাউদ্দীন ।

টসে জিতে প্রথমে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। প্রথমে খুব ভালো খেললেও শেষে দিকে বাংলাদেশের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৯০ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

তবে ব্যাট করতে নেমে প্রথমে ভালো খেললেও আম্পায়ারের সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পর খেই হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১৭ ওভারে ১৪০ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ দল। ফলে ৫০ রানে ম্যাচ হারে। আর তাতে সিরিজে ২-১ ম্যাচে জিতে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ম্যাচ শেষে অনেকেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট করেছেন।

ইএইচ/ডিসে২২/২০১৮/২০৪৫

আরো পড়ুন ঃ-

বছর মাতানো সাত গেইম

ক্রিকেটকে দুর্নীতি মুক্ত রাখতে আইসিসির অ্যাপ চালু

*

*

আরও পড়ুন