বিশ্বব্যাপী বেড়েছে ওটিটি কলের পরিমাণ

messeging apps-techshohor

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : টেলিকম খাতে মোড় ঘুরানোর একটা বছর বলা যায় ২০১৫ সালকে। সে বছর থেকেই বিশ্বব্যাপী ভয়েস কলের পরিমাণ কমতে শুরু করে।

চলতি বছর বিশ্বব্যাপী কথা বলার জন্য ভয়েস কলের পরিমাণ কমার হার সবচেয়ে বেশি।

ওয়াশিংটন-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান টেলিজিওগ্রাফি বলছে, এখন বিশ্বব্যাপী প্রতি মাসে ৫০০ কোটির বেশি মানুষ কথা বলার জন্য টেলিফোনের পরিবর্তে অন ওভার দ্য টপ অ্যাপ্লিকেশন বা ওটিটি ব্যবহার করছেন।

টেলিজিওগ্রাফি বলছে, বিশ্বব্যাপী গত সেপ্টেম্বরে কথা বলার জন্য সাতটি অ্যাপ যেমন, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেইসবুক ম্যাসেঞ্জার, উইচ্যাট, কিউকিউ, ভাইবার, লাইন এবং কাকাউটক ব্যবহার রয়েছে শীর্ষস্থানে।

এই সাতটি অ্যাপের মাধ্যমে ৫০০ কোটি ব্যবহারকারী সেপ্টেম্বরে কথা বলেছেন।

সংস্থাটি বলছে, বিশ্বব্যাপী মানুষ এসব ওটিটি অ্যাপে কথার বলার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন ফেইসবুকের হোয়াটস অ্যাপ এবং ফেইসবুক ম্যাসেঞ্জার। যার ব্যবহারকারী মাসে অন্তত ১৩০ কোটি।

অন্যদিকে চীনের উইচ্যাটের মাধ্যমে ১০০ কোটির বেশি মানুষ কথা বলে বলে জানায় সংস্থাটি।

এর বাইরেও বিপুল সংখ্য অ্যাপল এর ফেইসটাইম, গুগলের হ্যাংআউট, মাইক্রোসফটের স্কাইপ ব্যবহার করেন।

এই অ্যাপ্লিকেশনগুলোর সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করেনি টেলিজিওগ্রাফি। তবে অন্য আরেক সূত্র থেকে বলা হচ্ছে, অ্যাপ্লিকেশনগুলো একশ কোটিরও বেশি ডাউনলোড হবার খবর যাচ্ছে।

টেলিজিওগ্রাফি তাদের হিসাবে বলছে, গত ২০১৬ সালে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক কল আদানপ্রদানের ক্ষেত্রে বিনামূূল্যে ব্যাবহার করতে পারা ওটিটি অ্যাপ্লিকেশনগুলো পয়সা দিয়ে কথা বলার প্রথাগত টেলিযোগাযোগ ব্যাবস্থাকে পেছনে ফেলে দিয়েছে।

চলতি বছরে সারাবিশ্বে চার হাজার পাঁচশো কোটি মিনিট ভয়েস কলের বিপরীতে ওটিটি অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মাধ্যমে দ্বিগুণেরও বেশি কল করা হয়েছে। চলতি বছরে নয় হাজার পাঁচশো বিশ কোটি মিনিটের আন্তর্জাতিক কল করা হয়েছে ওটিটি অ্যাপ দিয়ে।

দেশেও চলতি বছরে ভয়েস কলের পরিমাণ আগের চেয়ে কমেছে। যার বিপরীতে বেড়েছে ডেটার মাধ্যমে অ্যাপ দিয়ে কল করার পরিমাণ।

টেলিজিওগ্রাফি অবলম্বনে ইএইচ/ডিসে২২/২০১৮/১৭০০

*

*

আরও পড়ুন