দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইন্টারনেট অর্থনীতি ৭ বছরে ৫ গুণ হবে

Internet-economy-Techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর: ইন্টারনেট ও প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সক্ষমতা দিন দিন বাড়ছে। তাই নতুন নতুন খাত সৃষ্টি হবার পাশাপাশি বিনিয়োগও বাড়ছে।

টেক জায়ান্ট গুগল ও সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান তিমাসেক যৌথ সমীক্ষায় জানিয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে এ অঞ্চলের দেশগুলোর ইন্টারনেট অর্থনীতি ২৪০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে। যা পূর্ববর্তী ধারণার চেয়ে অন্তত পাঁচ গুণ বেশি।

সমীক্ষা প্রতিবেদনটি সোমবার প্রকাশিত হয়েছে। বলা হচ্ছে, এখানকার মানুষের মধ্যে স্মার্টফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রবণতা অনেক বেড়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও অনলাইনে কেনাকাটা, রাইড শেয়ারিং, অনলাইনে খাবার ডেলিভারি, অডিও ও ভিডিও কনটেন্ট সাবস্ক্রিপসনের হারও বাড়ছে।

ইন্টারনেট অর্থনীতির সূচকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর উত্থান নিয়ে ২০১৬ সালে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ওই সময় অনলাইন বাণিজ্যের প্রধান চারটি ক্যাটাগরির ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছিল।

সেগুলো হলো- অনলাইন ভ্রমণ, ই-কমার্স, অনলাইন গণমাধ্যম এবং রাইড শেয়ারিং। এবার অনলাইনে খাবার ডেলিভারি, অডিও ও ভিডিও কনটেন্ট সাবস্ক্রিপসনের মত বিষয়গুলোও যুক্ত করা হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম হলো সমীক্ষার ভিত্তি দেশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরে ইন্টারনেট অর্থনীতিতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর গ্রস মার্চেন্ডাইস ভ্যালু (জিএমভি) ৭২ বিলিয়ন ডলার। যা আগের বছরের তুলনায় ৩৭ শতাংশ বেড়েছে।

ধারণা করা হয়েছিল, এ বছর পুরো অঞ্চলের জিএমভি হবে মাত্র ২৩ বিলিয়ন ডলার।

আলিবাবা গ্রুপ, লিজান্ডা সি লিমিটেড, ইন্দোনেশিয়াভিত্তিক তোকোপেদিয়ার মতো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো অঞ্চলটির ইন্টারনেট অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ হতে সাহায্য করছে। এছাড়া ইন্টারনেটে পন্য বেচাকেনার প্রতিও মানুষের আস্থা বেড়েছে।

চলতি বছরে রাইড শেয়ারিং এবং খাবার ডেলিভারি খাতে লেনদেন ৭ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালে শুধু এই দুই খাতেই লেনদেনের পরিমান দাঁড়াবে ৩০ বিলিয়ন ডলার।

রয়টার্স ও সিএনবিসি অবলম্বনে এসআই/নভে২০/২০১৮/০৩৩০

আরো পড়ুন ঃ-

চীনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৬৭ কোটি

নয় মাসে ১ কোটি ইন্টারনেট সংযোগ

ই-কমার্স বুঝলেও কেনাকাটার পদ্ধতি অজানা ৫৯ শতাংশ মানুষের

*

*

আরও পড়ুন