মানুষের জন্য ঘোড়ার ব্লিংকার!

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অফিস কর্মীদের মনোযোগ বাড়াতে ওয়্যার স্পেস তৈরি করেছে প্যানাসনিক। এটি আসলে অনেকটা হিউম্যান ব্লিংকার। অনেকেই ‘হিউম্যান হর্স ব্লিংকার’ বলেও আখ্যা দিচ্ছেন।

তারা বলছেন, ঘোড়াকে ট্র্যাকে একমুখী রাখতে যা ব্যবহার করা হতো, সেটিই কর্মীদের কাজে মনোযোগী করতে ব্যবহার করা হবে!

ডিভাইসটির মধ্যে ব্লুটুথ হেডফোনও যুক্ত থাকবে। এতে ব্যবহারকারী যে কোনও সময় নিজ পছন্দের গান শুনতে শুনতে চারপাশের ঝামেলা থেকে মুক্তভাবে নিজের কাজ করতে পারেন।

মানুষের চোখের ভিজ্যুয়াল ফিল্ড সাধারণত চারদিকে ৬০ ডিগ্রি ব্যপ্ত থাকে। অর্থাৎ সোজা কোনও দিকে তাকিয়ে থাকলে সেটি ছাড়াও আশপাশের অনেক কিছুই দৃষ্টিসীমায় থাকে। এ কারণে সচরাচর মনোযোগ অন্যদিকেও চলে যায়।

এ সমস্যা সমাধানে প্যানাসনিক একটি হিউম্যান ব্লিংকার তৈরি করেছে। এটি দুই চোখের দৃষ্টিকে দুই পাশ থেকে আটকে দেয়। ফলে শুধু যেদিকে তাকিয়ে থাকবেন, সেদিক ছাড়া অন্য কোনও কিছুই আপনি দেখতে পাবেন না।

কোম্পানিটি এর নাম দিয়েছে ওয়্যার স্পেস। ইতিমধ্যে ডিভাইসটির প্রোটোটাইপ নির্মাণ করা হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে আধুনিক অফিসগুলোর কর্মীদের মাঝে এটি বেশ জনপ্রিয়তা পাবে।

আধুনিক যুগের অনেক অফিসে ডেস্কগুলো ওপেন অফিস সিটেমে তৈরি। অর্থাৎ এক ছাদের নিচে খোলা ফ্লোরে অনেক কর্মী একসঙ্গে বসে কাজ করেন। যার ফলে কম স্পেসের মধ্যে খোলামেলা পরিবেশে বেশি কর্মীকে জায়গা দেওয়া যাচ্ছে।

আবার এত মানুষের মধ্যে অনেক কর্মীর মনোযোগের ব্যাঘাতও ঘটছে হরহামেশা। যার ফলে কর্মদক্ষশতা কমে যাচ্ছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

ডিভাইসটি মানুষের ভিজ্যুয়াল ফিল্ডকে ৬০ শতাংশ কমিয়ে আনবে বলে আশা করছেন নির্মাতারা। এতে একদিকে নিবিড়ভাবে মনোনিবেশ করা বেশ সহজ হবে।

এমন ব্লিংকারের ব্যবহার এই প্রথম নয়। ঘোড়ার দৃষ্টিসীমাকে ট্র্যাকে রাখার জন্য রেসের ঘোড়ার চোখে এমন ব্লিংকার দেওয়া হয়ে থাকে। যার নাম হর্স ব্লিংকার । প্যানাসনিকের ডিভাইসটি কী সেটি থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েই নির্মাণ করা কী না সে বিষয়ে অবশ্য জানা যায়নি।

এদিকে চোখের দুই পাশ থেকে দৃষ্টি আটকে থাকলে এক প্রকারের বিরক্তিকর ভাব তৈরি হবে বলেও মনে করেন অনেকে। কর্মীদের মধ্যে অস্বস্তিও তৈরি হতে পারে।

তবে কেউ কেউ পাল্টা যুক্তি দিচ্ছেন যে যারা মোটা ফ্রেমের চশমা পরেন তাদের যদি কোনও সমস্যা না হয়- তাহলে এটিতেও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। পুরো বিষয়টি অভ্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত।

ডিজিন থেকে এমআর/আরআর/নভে ০৮/২০১৮/১০৫০

আরো পড়ুন ঃ-

ইলেকট্রিক গাড়িতেই ভবিষ্যৎ দেখছে ভারত

শুধু দেখাই গেল, জানা হলো না

মক্কায় পানি সমস্যার সমাধান দেবে ডেটাসফটের আইওটি ডিভাইস

*

*

আরও পড়ুন