প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের বাজার অ্যাপলের দখলে

iphone-apple-techshohor

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : স্মার্টফোনের দামের ক্ষেত্রে প্রিমিয়াম ডিভাইসের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।  তবে এখনো প্রিমিয়াম সেগমেন্টের অধিকাংশ বাজার অ্যাপলের দখলে।

প্রিমিয়াম সেগমেন্ট ক্যাটাগরিতে প্রথমবারের মতো শীর্ষ পাঁচে উঠে এসেছে ওয়ানপ্লাস।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ বলছে, চলতে বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে নজর ফেরালে দেখা যায় স্মার্টফোনের সার্বিক বাজারের সঙ্গে বেড়েছে এর প্রিমিয়াম সেগমেন্টের ফোন।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, প্রিমিয়াম ফোনের বাজারে এখন চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো করেই উঁকি দিচ্ছে। এজন্য প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ডিভাইসের মান উন্নত করছে, নতুন প্রযুক্তি দিচ্ছে সঙ্গে বাড়াচ্ছে ডিভাইসের দাম।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে যেতে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন তাদের প্রিমিয়াম সিরিজগুলোর পোর্টফোলিও বাড়িয়ে যাচ্ছে।

বিশ্বে এখন প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের পরিমাণ বাড়ছে ৭ শতাংশ হারে। দ্বিতীয় প্রান্তিকের হিসেবে অবশ্য সার্বিক স্মার্টফোন বাজার কমে গেছে। এই প্রবিৃদ্ধির অন্যতম কারণ অপ্পো, ভিভো, হুয়াওয়ে, ওয়ানপ্লাস ও শাওমির মতো ব্র্যান্ডগুলোর অবদান।

বিশ্বব্যাপী এক পঞ্চমাংশ অবদান রাখছে প্রিমিয়াম স্মার্টফোন বলে দ্বিতীয় প্রান্তিকের হিসেবে উঠে এসেছে।

পাঁচটি ব্র্যান্ড প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের বাজার দখলে রেখেছে অন্তত ৮৮ শতাংশ বলেও জানায়।

প্রিমিয়াম স্মার্টফোন বাজারে এখনো আধিপত্য রেখেছে অ্যাপল। অন্তত ৪৩ শতাংশ শেয়ার তাদের দখলে। যেখানে স্যামসাং ২৪, অপ্পো ১০, হুয়াওয়ে ৯, শাওমি ৩ এবং ওয়ানপ্লাস ২ শতাংশ দখল করতে সক্ষম হয়েছে।

তবে ৪০০ থেকে ৬০০ মার্কিন ডলারের ফোনগুলোই বেশি বিক্রি হয় প্রিমিয়াম ক্যাটাগরিতে। যা অন্তত ৪৫ শতাংশ বাজার শেয়ার দখলে রাখে।

এই দামের বাজার দখলে রেখেছে অপ্পো, তাদের রয়েছে ২২ শতাংশ শেয়ার। অন্যদিকে একই অবস্থানে অবশ্য অ্যাপলও। আর স্যামসাং ১৬, হুয়াওয়ে ১৪, শাওমি ৬ ও ওয়ানপ্লাসের দখলে আছে ৫ শতাংশ।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৬০০ থেকে ৮০০ ডলারের মধ্যে ফোনের বাজার রয়েছে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের ৮৫ শতাংশ। যেখানে হুয়াওয়ে হানা দেবার চেষ্টা করছে।

৮০০ ডলারের বেশি মূল্যের ফোনগুলোর বাজার পুরোটাই বলা যায় অ্যাপলের দখলে। তারা ওই বাজারের ৮৮ শতাংশ নিজেদের কব্জায় রেখেছে।

তবে বাজার ধরার চেষ্টায় কোন ব্র্যান্ডই এখন আর পিছিয়ে থাকছে না। সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে উদ্ভাবন আর নতুন ফিচারে উপরের উঠতে চাইছে।

ইমরান হোসেন মিলন

২ টি মতামত

  1. F F said:

    পেজের কনটেন্ট ভিউ এতো ক্ষেত কেন? জিএসএম রেপ্লিকা জিএসএস বিডির কনটেন্ট লুকিং অনেক ভাল। আর বেশির ভাগ ফরেন কনটেন্ট জিএসএম থেকে কপি করা কোনো ধরনের কপিরাইট দেয়া ছাড়াই। I’ll report it soon to gsmarena as Xda and ARM member

    • tahmina tania said:

      শুভেচ্ছা, ভাষান্তর করে আন্তর্জাতিক কনটেন্ট প্রকাশ করার ‘স্বীকৃত’ যে গণমাধ্যম ‘প্রচলন’ টেকশহর ঠিক তাই মেনে চলে। জিএসএমএরিনা হোক আর বিবিসি, রয়টার্স বা ম্যাশেবল হোক আন্তজার্তিক কনটেন্টের ক্ষেত্রে সোর্স অবশ্যই উল্লেখ করে টেকশহরর।
      এটা কনটেন্টের স্থানীয় রূপান্তর পদ্ধতির মধ্য দিয়ে হয়ে থাকে যে, কীভাবে তা উপস্থাপন করা হবে। উদাহরণ হিসেবে- বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ডেইল স্টার, প্রথম আলো বা সমকালের ইন্টারন্যাশনাল কনটেন্ট প্রেজেটেন্টশন দেখার অনুরোধ রইল।
      টেকশহর শতভাগ পেশাদার নিউজ পোর্টাল, তাই কনটেন্টের কপিরাইটে নিয়মের ব্যতয় হওয়ার সুযোগ নেই।
      বরং আমরা দায়িত্ব নিয়ে প্রমাণসহ দেখা পারি যে, দেশের প্রথম সারির জাতীয় পত্রিকায় টেকশহরের কনটেন্ট কপি করে প্রকাশ করা হয়। অসংখ্য অনলাইন তো ধরার মধ্যেই পরে না। এরমধ্যে অবশ্য যুগান্তর অমাদের কিছু কিছু কনটেন্টে টেকশহরের ক্রেডিট দেয়, চ্যালেন আই দেয়, আলোকিত বাংলাদেশসহ কেউ কেউ টেকশহরের ক্রেডিট দেয়।
      আর লুকিংটা কেমন লাগছে তা আপেক্ষিক বিষয়। কারও কাছে ভাল কারও কাছে খারাপ। আমরা এখন পর্যন্ত অত্যন্ত পজিটিভ ফিডব্যাগ পেয়েছি। আপনার কাছে ভাল লাগেনি সে জন্য আমরা দু:খ প্রকাশ করছি।

*

*

আরও পড়ুন