মানুষের কর্মসংস্থান দখল নেবে না রোবট!

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : রোবট মানুষের কাজের জায়গা দখল করে বিশ্বে বেকারত্বের হার বাড়িয়ে দেবে এমন শঙ্কার কথা বারবার বলা হয়েছে।

কিন্তু নতুন একটি চিন্তায় বলা হচ্ছে, রোবট যতোটা না কমসংস্থান দখল করবে তার চেয়ে ঢের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। তাই রোবটকে ভয় পাবার কোন কারণ নেই বলে জানাচ্ছে বিশ্ব অর্থনৈতিক সংস্থা।

সুইস থিঙ্ক ট্যাংকের ধারণা মতে, আগামী ২০২২ সাল নাগান রোবট ৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান দখল করবে। তবে রোবটের কল্যাণেই নতুন করে ১৩ কোটি ৩০ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।

তারা বলছে, কম্পিউটিং ক্ষমতার ফলে মানুষের নতুন কর্মের ব্যবস্থা হবে।

একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে দিয়ে বলছে, বলা যাবে না আসলে রোবটের ফলে কখন কে কর্ম হারাবে।

বিশ্ব অর্থনৈতিক সংস্থা বলছে, রোবট এবং এর জন্য অ্যালগোরিদম খুব দ্রুতই উন্নয়ন করা হচ্ছে। এ থেকে বলা যায়, রোবট বর্তমানে থাকা বিভিন্ন কাজ এবং নতুন করে আরও তৈরি হতে যাওয়া কাজগুলো সামনের বছরগুরো থেকে খুব সহজেই করতে পারবে।

এর ফলে একটা বিষয় হবে যে, আমরা নতুন করে আরও বেশি ডেটা অ্যানালিস্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপার এবং সোশ্যাল মিডিয়া স্পেশালিস্ট পাবো। সেই সঙ্গে আমরা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষক, গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে কাজ করার কর্মীও পাবো।

কিন্তু তারপরও কিছুটা শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে বলে বলছে থিঙ্ক ট্যাঙ্ক।

তারা বলছে, রোবট খুব সহজেই অ্যাকাউন্টিং, কারখানা, পোস্ট অফিস এবং আমলাতান্ত্রিক ও ক্যাশিয়ারের কাজগুলো দখল করতে পারে।

এরও একটা সমাধান বলে দিয়েছে সুইস প্রতিষ্ঠানটি। তারা বলছে, রোবট যেন মানুষের জায়গা দখল করতে না পারে সে জন্য আরও দক্ষতা অর্ঝনের প্রয়োজন হবে। তাই দরকার হবে বিশ্বব্যাপী কর্মদের দক্ষ করে তোলার প্রশিক্ষণ দেয়া।

এর আগে গত মাসেই দ্য ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রধান অর্থনৈতিক অ্যান্ডে হালডানে সতর্ক করে বলেছিলেন, রোবটের কারণে ব্রিটেনে মানুষ হাজারো কর্মসংস্থান হারাতে পারেন।

তিনি বলেছিলেন, এই সংখ্যা গত তিনটি শিল্পবিল্পবে হারানো কর্মসংস্থানের চেয়ে কয়েকগুণও হতে পারে।

২০১৩ সালে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির একটি পূর্বাভাসে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যের ৩৫ শতাংশ কর্মসংস্থান আগামী ২০ বছরের মধ্যে ‘অত্যন্ত’ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেগুলো স্বয়ংক্রিয় বা রোবটের দখলে যেতে পারে।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*

আরও পড়ুন