দেশের ‘প্রথম’ রোবট মানুষ টিভেট, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নের মুখোমুখি শনিবার

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সোফিয়ার কথা নিশ্চয়ই মনে আছে, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ মাতিয়ে গিয়েছিল এই কৃত্রিম মানবী।

বাঙালির ওই সোফিয়া উম্মাদনায় কি কেউ ভেবেছিল, মাত্র ১০ মাসের মাথায় এমন একটি রোবট দেশেই ডেভেলপমেন্ট করা হবে!

হ্যা, ভেবেছিলেন দুই জন। ঢাকা পলেটেকনিক্যালের দুই শিক্ষার্থী ফরিদ হোসেন এবং রাহাদ উদ্দিন। তাই তো তাদের হাতেই ডেভেলপমেন্ট হলো দেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রোবট মানুষ, যার নাম মি. টিভেট।

শনিবার সকালে আইডিইবির ২২তম সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছে মি. টিভেট। যেমন করে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নে সামনে নিজের পরীক্ষা দিয়েছিল সোফিয়া।

ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের সহযোগিতায় এর আইসিটি এবং ইনোভেশনের সেলের তত্ত্বাবধানে ডেভেলমেন্ট করা হয়েছে মি. টিভেটকে।

সোফিয়া আসার আগে রোবট নিয়ে কাজ করলেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভিজুয়াল ডেটা, ফেশিয়াল রিকগনিশন ফিচার মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির রোবট সোফিয়া নতুন করে পথ দেখায় ফরিদ হোসেন এবং রাহাদ উদ্দিনকে। এর আগে ব্যাংরো নামে সাধারণ একটি রোবট তৈরির নেতৃত্বে ছিলেন এই দুইজন।

মি. টিভেট নিজে নিজে মানুষের সাথে কথা বলতে পারে এবং মানুষের মুখে নির্দেশ শুনে কাজ করতে পারে।

টিভেটের ৪২ রকমের শারীরিক এক্সপ্রেশন করার ক্ষমতা রয়েছে। তাই সে শরীরকে বিভিন্নভাবে নাড়াতে পারে। কথা বলার সময় মানুষের মুখের মতোই মুখ নড়াচড়া করে।

চোখে রয়েছে উন্নত প্রযুক্তির থ্রিডি ক্যামেরা যার সাহায্যে সে সহজে সামনে থাকা কোনো বস্তুকে দেখে তার গতিবিধি নির্ধারণ করতে পারে । টিভেট এখন ৫০০ গ্রাম ওজনের যেকোনো বস্তু বহন করতে সক্ষম।

সে তার সামনে থাকা কোনো বস্তু বা মানুষকে দেখে তার স্মৃতিও সংরক্ষণ করতে পারে।

দেশের কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্র্যান্ডিং হিসেবে রোবটটির নামকরণ করা মি. টিভেট। ‘টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেইনিং’ হতে টিভেট।

আইডিইবির আইসিটি এবং ইনোভেশন সেলের মেম্বার সেক্রেটারি জোবায়ের আল মাহমুদ হোসেন জানান, অর্থের অভাবে এই রোবট উন্নয়নের কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তখন আইডিইবি এগিয়ে আসে। এটি বাংলাদেশের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রথম রোবট মানুষ।

আল-আমীন দেওয়ান 

*

*

আরও পড়ুন