vivo Y16 Project

আইটিইউ নির্বাচন হতে সরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

ITU-techshohor

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : টানা দুইবার জয়ের পর এবারে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেও আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াল বাংলাদেশ।

ইতোমধ্যেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিজেদের প্রার্থীতা প্রত্যাহারের খবর আইটটিইউকে জানানো হয়েছে। চলতি বছরের নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে দুবাইতে হবে এই নির্বাচন। 

‘আইটিইউ নির্বাচনে বাংলাদেশের ধারাবাহিক সাফল্য রয়েছে। যেগুলো ওই নির্বাচনকে ঘিরে অনেক কূটনৈতিক যোগাযোগ ও প্রচার-প্রচারণার ফল। ‌‌এবার আইটিইউ নির্বাচনের সময়ে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের ব্যস্ততা পুরোদমে শুরু হয়ে যাবে। ফলে এতে যে পরিমাণ মনোযোগ ও পদক্ষেপ প্রয়োজন তা কতটা নেয়া যাবে সেটা একটা বিষয়’- টেকশহরডটকমকে বলছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

Techshohor Youtube

মন্ত্রী বলেন, ‌‌‌টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নে বাংলাদেশের অবস্থান এবং অন্য সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় এবার এই নির্বাচন হতে সরে দাঁড়ানো নিয়ে ভাবনার কিছু নেই।

বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলছেন, ইতোমধ্যে তারা ৭১টি দেশের কাছ থেকে বাংলাদেশকে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে লিখিত প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলেন।

এবার এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলের ১৩টি পদের জন্যে সব মিলে প্রার্থী ছিল মাত্র ১৪টি দেশ। এখন একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে নির্বাচন থেকে বাংলাদেশ সরে দাঁড়ানোয় বাকি প্রার্থীরা আগেই নির্বাচিত হয়ে গেলেন।

এর আগে সর্বশেষ দুইবার এই অঞ্চলে ভালো ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১০ সালে মেক্সিকোতে ১৭ প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে লড়াই করে ১২৩ ভোট পেয়ে ষষ্ঠ হয়েছিল।

আর ২০১৪ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার নির্বাচনে ১৯ প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ১১৫ ভোট পেয়ে সপ্তম স্থান পায় বাংলাদেশ। তখন নির্বাচনে মোট ১৬৭টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধি ভোট দেন।

দুইবারই শক্তিধর প্রতিপক্ষ দেশগুলোর সঙ্গে লড়াই করে জয় পায় বাংলাদেশ। ফলে আইটিইউর নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে অংশ নিতে পেরেছে বাংলাদেশ।

১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ আইটিইউ এর সাধারণ সদস্যপদ পায়।

আল-আমীন দেওয়ান

*

*

আরও পড়ুন

vivo Y16 Project