টাওয়ার সেবা দিতে চায় বিটিসিএল, বিস্মিত বিটিআরসি

tower-techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড-বিটিসিএলের টাওয়ার সেবা দেওয়ার আগ্রহ রীতিমতো বিস্মিত করেছে সংশ্লিষ্টদের।

রাষ্ট্রায়ত্ত এ কোম্পানি সম্প্রতি টাওয়ার সেবা দেওয়ার লাইসেন্স পেতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-বিটিআরসিতে আবেদন করেছে। গত ১১ জুন সর্বশেষ দিনে সব মিলিয়ে আটটি আবেদন জমা পড়েছে। এগুলোর মধ্যে চারটি কোম্পানি লাইসেন্স পাবে।

টেলিযোগাযোগ খাতে সেবা দিতে এককভাবে সবচেয়ে বেশি টেলিকম লাইসেন্স আছে এখন বিটিসিএলের। তবে অনেক দিনে থেকেই তাদের সেবা পড়তির দিকে। এ কারণে আয়ও দিন দিন তলানিতে গিয়ে ঠেকছে। কমিশনের পাওনাও হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

এরপরও কোম্পানিটির আবেদনের কারণে বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট কমকর্তারা অবাক হয়েছেন। তারা ঠিক কি কারণে বিটিসিএল এ সেবা দিতে চাইছে তা বুঝে উঠতে পারছেন না।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, আবেদন ফি’র নির্ধারিত ৫০ হাজার টাকাও দেয়নি রাষ্ট্রায়ত্ত বিটিসিএল।

কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, কোনো রকম ফি ছাড়াই তারা আবেদনপত্র নিয়ে যান। পরে সেটি জমাও দেন।

জানা গেছে, টাওয়ার কোম্পানির লাইসেন্সের জন্য সংশ্লিষ্ট সেবায় অন্তত পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে। বিটিসিএলের এ সংক্রান্ত কোনো অভিজ্ঞতাই নিই। আবার বিদেশি কোনো কোম্পানিকে তারা অংশীদার হিসেবে নেয়নি, ফলে তাদের ধার করা অভিজ্ঞতা থাকারও কোনো সুযোগ নেই।

এত কিছু কমতি থাকার পরও শেষ পর্যন্ত সরকারি কোম্পানির অগ্রাধিকার হিসেবে লাইসেন্স পেলে -পরবর্তী কার্যক্রম কিভাবে এগোবে তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন বিটিআরসির লাইসেন্সিং বিভাগের কর্মকর্তারা।

তাদের আশঙ্কা, লাইসেন্স পাওয়ার পরে বিটিসিএলকে ব্যবহার করে কেউ হয়তো বাড়তি সুবিধা নিয়ে নেবে।

এর আগে ফাইবার অপটিক কেবলের নেটওয়াকিংয়ের লাইসেন্সের ক্ষেত্রেও তাদেরকে অপব্যবহারের মাধ্যমে কোনো কোনো কোম্পানির অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

তাছাড়া বিটিসিএল সংশ্লিষ্ট সেবাগুলোর জন্য বিটিআরসিকে কোনো টাকাও দেয় না। ফলে তাদের কাছে বছরের পর বছর হাজার কোটি টাকা বকেয়া থেকে যায়। আর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে গোটা টেলিযোগাযোগ খাতে- বলে মন্তব করেন বিটিআরসি’র ওই কর্মকর্তা।

*

*

আরও পড়ুন