টাওয়ার কোম্পানির লাইসেন্স দিতে আবেদন আহবান

tower-techshohor
Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : টেলিযোগাযোগ খাতে বহুল প্রতিক্ষীত পৃথক টাওয়ার শেয়ারিং কোম্পানি গঠনের অনুমোদনের প্রক্রিয়া অবশেষে গতি পাচ্ছে। প্রথম দফায় লাইসেন্স দেওয়া হবে চার কোম্পানিকে।

এ জন্য লাইসেন্স দিতে আগ্রহীদের কাছ থেকে আবেদন চেয়ে দরপত্র আহবান করছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন – বিটিআরসি।

গত সপ্তাহে কমিশনের একটি বিশেষ বৈঠকে দরপত্র আহবানের সিদ্ধান্তের পর বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছে। আবেদন করতে ১৩ মে পর্যন্ত সময় পাবেন আগ্রহীরা।

tower-techshohor

সিদ্ধান্ত অনুসারে চারটি লাইসেন্স দিতে দরপত্র আবদান করা হয়েছে। আবেদনকারীদের নূন্যতম পাঁচ হাজার সাইট পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকার শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে রবি’র সহযোগী কোম্পানি হিসেবে টাওয়ারের ব্যবসা করছে ইডটকো বাংলাদেশ। এর বাইরে আরও কয়েকটি কোম্পানি দরপত্রে অংশ নেবে বলে জানা গেছে।

লাইসেন্স ফি ২৫ কোটি ও বার্ষিক লাইসেন্স ফি ৫ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

টাওয়ার কোম্পানিতে বিদেশি বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা রাখা হয় ৭০ শতাংশ, যদিও এর আগে নীতিমালার খসড়ায় এ সীমা ৪৯ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

লাইসেন্স পাওয়ার পর প্রথম বছর কোম্পানিটিকে দেশের সব বিভাগীয় শহরে সেবা সম্প্রসারণ করতে হবে। তখন মোবাইল ফোন অপারেটরদের ভাগাভাগির ভিত্তিতে টাওয়ার ব্যবহারের সেবা বন্ধ করতে হবে।

দ্বিতীয় বছর জেলা শহর, তৃতীয় বছর ৩০ শতাংশ উপজেলা, চতুর্থ বছর ৬০ শতাংশ উপজেলা ও পঞ্চম বছর দেশের সব উপজেলায় টাওয়ার নিতে হবে লাইসেন্স পাওয়া কোম্পানিকে।

নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় বিপুল ব্যয়ের পাশাপাশি অনেক জনবল লাগছে টাওয়ার স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষেণ।

এ ছাড়া টাওয়ারের অনিয়ন্ত্রিত সংখ্যা, ভূমি ও বিদ্যুতের সংকট ছাড়াও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব রয়েছে।

এসব কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টাওয়ার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব থেকে নিজেদের সরিয়ে আনছে মোবাইল ফোন অপারেটররা।

এ ক্ষেত্রে অবকাঠামো ভাড়া প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে সেবা নিয়ে থাকে তারা। ফলে একই অবকাঠামো ভাগাভাগির মাধ্যমে তা থেকে সেবা পেতে পারে একাধিক অপারেটর। দেশেও তা অনুসরণ করা হবে।

নীতিমালা অনুসারে, লাইসেন্স পাওয়া কোম্পানিগুলো তাদের আয়ের সাড়ে ৫ শতাংশ বিটিআরসি’র সঙ্গে রাজস্ব ভাগাভাগি করতে হবে। অন্যদিকে ১ শতাংশ দিতে হবে সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলে।

অনন্য ইসলাম

*

*

আরও পড়ুন