Techno Header Top and Before feature image

ফাহিম মাসরুরের মনোনয়নপত্র বাতিলে এবার আপিল বোর্ডে ফারুক

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বেসিস নির্বাচন বোর্ডে অভিযোগ ‘উপেক্ষার’ প্রশ্ন তুলে এবার আপিল বোর্ডে  ফাহিম মাসরুরের মনোনয়নপত্র বাতিলে আবেদন করেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী ফারুক।

সোমবার বেসিস নির্বাচন আপিল বোর্ডে ওই আবেদনে তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন বোর্ডে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করার পরও তা উপেক্ষা করে আজকের ডিল- এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম মাসরুরের মনোনয়নপত্র বাতিল না করে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকায় রাখা হয়েছে, যা সুষ্ঠু ও ত্রুটিমুক্ত নির্বাচনের অন্তরায় মনে করেন তিনি।’

শনিবার অ্যাসোসিয়েট ক্যাটাগরিতে এ কে এম ফাহিম মাসরুর- এর বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়নপত্র দাখিলের অভিযোগ এনে তা বাতিলে নির্বাচন বোর্ডের কাছে আবেদন করেছিলেন আরেক প্রার্থী সফট পার্কের প্রধান নিবার্হী দেলোয়ার হোসেন ফারুক।

রোববার বেসিস সচিবালয় নির্বাচন বোর্ডের রেফারেন্সে অভিযোগকারী প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ফারুকের ওই আবেদনের উত্তরে জানায়, নির্বাচন বোর্ড নির্ধারিত সময়ের বাইরে মনোনয়নপত্র কেনা এবং জমা নেয়ায় কোনো অনিয়ম খুঁজে পায়নি।

দেলোয়ার হোসেন ফারুক টেকশহরডটকমকে জানান, নির্বাচন বোর্ডে অভিযোগ উপেক্ষা করা হয়েছে। এবার আপিল বোর্ডে আবেদন করেছি। ন্যায়বিচারের আশা করছি। এর জন্য সংশ্লিষ্ট উচ্চতর সব জায়গা পর্যন্ত তিনি যাবেন।

এ কে এম ফাহিম মাসরুর টেকশহরডটকমকে বলেন, আগেই বলেছি যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মনোনয়নপত্র  জমা দেয়া হয়েছে। সব কিছুই নিয়ম মতো হয়েছে। নির্বাচন বোর্ডও সেই অনুয়ায়ী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। ভবিষ্যতে এই বিষয়টিই প্রমাণিত হবে। সত্য সবখানে সত্যই।

রোববার  ২০১৮-১৯ সেশনের এই নির্বাচনে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন বোর্ড।

এতে মনোনয়পত্র জমা দেয়া ৪০ জনের নামই রয়েছে। বেসিস নির্বাচন বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম এবং সদস্য নাজিম ফারহান চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা রোববার বিকালে প্রকাশ করা হয়।

নির্বাচনে অংশ নিতে জেনারেল সদস্য ক্যাটাগরিতে ৩৪ এবং অ্যাসোসিয়েটে ৬ জন প্রার্থী বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র  জমা দিয়েছিলেন।

এখন প্রার্থী তালিকা সম্পর্কে কারও আপত্তি থাকলে ৭ মার্চ তারিখের মধ্যে নির্বাচন আপিল বোর্ডে তা দেয়া যাবে। যদি কোনো আপত্তি পড়ে তাহলে ১০ মার্চ আপিল বোর্ড তার শুনানি করবে।

এর পর বৈধ তালিকা ১২ মার্চ ও চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ১৭ মার্চ প্রকাশ করা হবে। এর মধ্যে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন রয়েছে ১৫ মার্চ পর্যন্ত।

নির্বাচন কাণ্ডে ২০১৭ সাল জুড়ে সরগরমের পর অবশেষে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে তৃতীয় বারের মতো সংগঠনটির নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়।

চলতি মাসের ৩১ তারিখে হবে এ নির্বাচন। ডিটিও’র নির্দেশনা অনুযায়ী ২ বছর মেয়াদের জন্য ৯ পদে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

২০১৭ সালের শুরু হতেই নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে নেতাদের মতদ্বৈততা, আপিল-অভিযোগ চলে।

এরপর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিটিও শাখার শুনানি, প্রথম দফায় ৮ জুলাই নির্বাচন বাতিল শেষে একই ইস্যুতে সংগঠনটির গঠনতন্ত্র পর্যন্ত সংশোধন করা হয়। এরপর দ্বিতীয় দফায় ঘোষিত ২৮ ডিসেম্বরের নির্বাচনও হয়নি।

আল-আমীন দেওয়ান

*

*

আরও পড়ুন