Techno Header Top and Before feature image

ফাহিম মাসরুরের মনোনয়নপত্রে অনিয়ম মেলেনি

Evaly in News page (Banner-2)

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বেসিস নির্বাচনে ফাহিম মাসরুরের মনোনয়নপত্র নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী ফারুকের অভিযোগের সত্যতা পায়নি বেসিস নির্বাচন বোর্ড।

অ্যাসোসিয়েট ক্যাটাগরিতে আজকের ডিল লিমিটেডের পরিচালক এ কে এম ফাহিম মাসরুর- এর বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়নপত্র দাখিলের অভিযোগ এনে তা বাতিলে নির্বাচন বোর্ডের কাছে শনিবার আবেদন করেছিলেন আরেক প্রার্থী সফট পার্কের প্রধান নিবার্হী দেলোয়ার হোসেন ফারুক।

রোববার বেসিস সচিবালয় নির্বাচন বোর্ডের রেফারেন্সে অভিযোগকারী প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ফারুকের ওই আবেদনের উত্তরে জানায়, নির্বাচন বোর্ড নির্ধারিত সময়ের বাইরে মনোনয়নপত্র কেনা এবং জমা নেয়ায় কোনো অনিয়ম খুঁজে পায়নি।

দেলোয়ার হোসেন ফারুক টেকশহরডটকমকে জানান, আপিল বোর্ডে আবেদন করা হবে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট উচ্চতর সব জায়গা পর্যন্ত তিনি যাবেন।

এ কে এম ফাহিম মাসরুর টেকশহরডটকমকে বলেন, আগেই বলেছি যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মনোনয়নপত্র  জমা দেয়া হয়েছে। সব কিছুই নিয়ম মতো হয়েছে। এখন নির্বাচন বোর্ডও সেই অনুয়ায়ী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

এদিকে রোববার  ২০১৮-১৯ সেশনের এই নির্বাচনে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন বোর্ড।

এতে মনোনয়পত্র জমা দেয়া ৪০ জনের নামই রয়েছে। বেসিস নির্বাচন বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম এবং সদস্য নাজিম ফারহান চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা রোববার বিকালে প্রকাশ করা হয়।

নির্বাচনে অংশ নিতে জেনারেল সদস্য ক্যাটাগরিতে ৩৪ এবং অ্যাসোসিয়েটে ৬ জন প্রার্থী বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র  জমা দিয়েছিলেন।

এখন প্রার্থী তালিকা সম্পর্কে কারও আপত্তি থাকলে ৭ মার্চ তারিখে নির্বাচন আপিল বোর্ডে তা দেয়া যাবে। যদি কোনো আপত্তি পড়ে তাহলে ১০ মার্চ আপিল বোর্ড তার শুনানি করবে।

এর পর বৈধ তালিকা ১২ মার্চ ও চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ১৭ মার্চ প্রকাশ করা হবে। এর মধ্যে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন রয়েছে ১৫ মার্চ পর্যন্ত।

নির্বাচন কাণ্ডে ২০১৭ সাল জুড়ে সরগরমের পর অবশেষে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে তৃতীয় বারের মতো সংগঠনটির নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়।

চলতি মাসের ৩১ তারিখে হবে এ নির্বাচন। ডিটিও’র নির্দেশনা অনুযায়ী ২ বছর মেয়াদের জন্য ৯ পদে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

২০১৭ সালের শুরু হতেই নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে নেতাদের মতদ্বৈততা, আপিল-অভিযোগ চলে।

এরপর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিটিও শাখার শুনানি, প্রথম দফায় ৮ জুলাই নির্বাচন বাতিল শেষে একই ইস্যুতে সংগঠনটির গঠনতন্ত্র পর্যন্ত সংশোধন করা হয়। এরপর দ্বিতীয় দফায় ঘোষিত ২৮ ডিসেম্বরের নির্বাচনও হয়নি।

আল-আমীন দেওয়ান

১ টি মতামত

  1. Pingback: ফাহিম মাসরুরের মনোনয়নপত্রে অনিয়ম পায়নি বেসিস নির্বাচন বোর্ড - খবর, সাস্থ,রূপচর্চা,মোবাইল টিপস,ভ

*

*

আরও পড়ুন