অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে নিরাপদে তথ্য সংরক্ষণ

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমচালিত ডিভাইসের জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সহজলভ্য অ্যাপসের জন্যই মূলত ব্যবহারকারীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসগুলো। এ কারণে ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি ঝুঁকিও বাড়ছে। তাই এতে নিরাপদে তথ্য সংরক্ষণে সাবধান হওয়া দরকার।

সচেতন না থাকলে সাইবার হামলা কিংবা হ্যাকিংয়ের ফলে ক্ষতি হতে পারে শখের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি। চুরি হয়ে যেতে পারে সব তথ্য, ফোন নম্বর, ই-মেইল আইডির পাসওয়ার্ড  ইত্যাদি। তবে সচেতন থাকলে এবং কিছু ট্রিপস জানা থাকে সুরক্ষিত রাখা যাবে ডিভাইসটি।

ডিভাইসটি নিরাপত্তা রাখার কিছু উপায় এ টিউটোরিয়ালে তুলে ধরা হল।

Android Security_techshohor

ডিভাইসের তথ্যগুলোকে নিরাপদ রাখতে সেগুলোকে এনক্রিপশন করে রাখতে হবে। ফলে বেহাত হলেও অন্য কেউ সেগুলোর অর্থ উদ্ধার করতে পারবে না। এতে নিরাপদে থাকবে তথ্য।

এ জন্য ডিভাইসে প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রতিবার পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। পাসওয়ার্ড ইনপুট দিলে তথ্যগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ডিক্রিপ্ট হয়ে যাবে বা আগের রূপ ফিরে যাবে।

কোনো কারণে স্মার্ট ডিভাইসটি হারিয়ে গেলেও সেটির অবস্থান সর্ম্পকে জানা সম্ভব। এ জন্য অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার ব্যবহার করতে হবে।

এ সেবার মাধ্যমে গ্রাহক তার হারিয়ে যাওয়া ডিভাইসটি কোথায় রয়েছে তা গুগল ম্যাপে দেখতে পাবেন। এমনকি এটির গ্রাহক কল করলে ডিভাইসটি ৫ মিনিট সময় ধরে উচ্চ টোনে বাজতে থাকবে।

এ ছাড়া ব্যবহারকারী চাইলে অ্যাপটির মাধ্যমে ডিভাইসটিতে থাকা সব তথ্য মুছে দিতে পারবেন। এতে মোবাইল ডিভাইস হারিয়ে গেলেও তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে।

তথ্য সংরক্ষণের জন্য এসডি কার্ডের ব্যবহার অনেক বেশি হয়ে থাকে। তবে ইন্টারনাল স্টোরেজের চেয়ে এসডি কার্ডে তথ্যের নিরাপত্তা কম থাকে। তাই গুরুত্বপূর্ন তথ্যগুলো ইন্টারনাল স্টোরেজে রাখা উওম।

গুগলের প্লে স্টোর ছাড়া অন্য কোন অজানা উৎস থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করে তা ইন্সটল করা উচিত নয়। ভিন্ন উৎস থেকেও অনেক ক্ষেত্রে বিনামূল্যের অ্যাপ সরবরাহ করে। কিন্তু এ অ্যাপগুলোর সঙ্গে ভাইরাসের সম্পর্ক থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এতে ডিভাইসটির ক্ষতির আশংকা থাকে বেশি।

Related posts

*

*

Top