Maintance

অনলাইন ক্লাউড সেবা ব্যবহারের টিপস

প্রকাশঃ ১:০৪ অপরাহ্ন, এপ্রিল ২৮, ২০১৬ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৯:০৫ অপরাহ্ন, এপ্রিল ২৮, ২০১৬

তুসিন আহমেদ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : স্মার্টফোন বা ট্যাবে স্টোরেজ স্বল্পতার কারণে বিপাকে পড়তে হয় অনেক ব্যবহারকারীকে। ইন্টারনাল মেমোরির পাশাপাশি অনেকেই ব্যবহার করেন মাইক্রো এসডি কার্ড। তবুও সেলফি উন্মাদনার এ সময়ে দেখা যায় ছবি জমা রাখতেই সব মেমোরি শেষ।

এ ছাড়া স্টোরেজে থাকা ফাইল বা ছবি বিভিন্ন ডিভাইসে আদান-প্রদানও বিরক্তের কারণ হয়ে দাঁড়ায় অনেক সময়। এসব বিবেচনায় অনলাইনেই এ বিষয়ে প্রযুক্তি সেবা দেওয়া হচ্ছে। তাই ক্লাউড সেবা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। গুগল ড্রাইভ, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভসহ নানা ভার্চুয়াল অনলাইন স্টোরেজ এ সেবা দিচ্ছে।

কেন ক্লাউজ স্টোরেজ সেবা ব্যবহার করা উচিত তা তুলে ধরা হলো এ টিউটোরিয়ালে

mobile-colud-techshohor


মেমোরি নিয়ে নেই ঝামেলা
স্মার্টফোনের মেমোরি  দ্রুত শেষ হয়ে যাবে এ ভয়ে অনেক ব্যবহারকারী ছবি তোলেন না। মেমোরি নিয়ে এ টেনশন দূর হবে ক্লাউড সুবিধা ব্যবহার করলে। কেননা ইন্টারনাল মেমোরির উপর চাপ সৃষ্টি না করেই ক্লাউড সেবা ব্যবহার করে নিজের ফাইল বা ছবি সংরক্ষণ করা যাবে।

ক্লাউজ স্টোরেজ ব্যবহারে টাকার প্রয়োজন নেই
ধরুন আপনার স্মার্টফোনের ইন্টারনাল মেমোরি পরিপূর্ণ হয়ে গেল। তখনই আপনার মাথায় টেনশন কাজ করবে। মনে মনে ভাববেন একটি মেমোরি কার্ড কেনা দরকার। মেমোরি কার্ড কিনতে লাগবে টাকা। তবে ক্লাউড সেবা ব্যবহার করা যাবে বিনামূল্যে।

গুগল ড্রাইভ আপনাকে ১৫ গিগাবাইট স্টোরেজ সংরক্ষণ করতে দেবে বিনামূল্যে। এ ছাড়া ওয়ানড্রাইভ ২৫ গিগাবাইট, ড্রপবক্স ২গিগাবাইট, মিডিয়াফায়ার দেবে ৫০ গিগাবাইট পর্যন্ত বিনামূল্যে।

তবে এর বেশি স্টোরেজ বাড়াতে চাইলে অর্থ খরচ করতে হবে। তবুও প্রাথমিকভাবে যেটুকু ফ্রি পাওয়া যাবে তা একজন প্রাথমিক ব্যবহারকারীর জন্য যথেষ্ট।

cloud-techshohor

আপনার ফাইল সব জায়গায়
ধরুণ আপনি অফিসের একটা কাজ বাসায় করলেন। ফাইলটি তখন অফিস নিয়ে যেতে হবে। প্রয়োজন একটা পেনড্রাইভ বা হার্ডড্রাইভ। ভুলে অনেক সময় পেনড্রাইভ বাসায় রেখে আসেন অনেকেই। তখন কাজের ক্ষতি হয়।

তবে আপনার ফাইলটি ক্লাউড সেবাযুক্ত হলে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই যে কোনো ডিভাইস থেকে যে কোনো জায়গা থেকে ফাইলটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যাবে।

এটা ক্লাউড স্টোরেজের উল্লেখ্যযোগ্য সুবিধা। ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গায় গেলেও ফাইল স্থানান্তর নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে না।

প্রয়োজনীয় ফাইলে ব্যাকআপ
ভাইরাসের আক্রমণ বা ভুলে প্রয়োজনীয় ফাইলটি কম্পিউটার বা মোবাইল থেকে ডিলেট হয়ে যেতে পারে। তখন আসফোস করা ছাড়া কিছু করার থাকে না।

অনেক সময় ডাটা রিকোভারি সফটওয়্যার দিয়ে হারিয়ে যাওয়া ফাইল ফিরিয়ে আনা যায়।তবে অনেক সময় সেটি করা যায় না। ক্লাউড স্টোরেজ সেবা ব্যবহার করা হলে প্রয়োজনীয় ফাইলটি হারিয়ে যাওয়ার ভয় নেই। কেননা ফাইলটি অনলাইনে পাওয়া যাবে সব সময়।

আরও পড়ুন

*

*

Related posts/