Maintance

প্রফেশনাল লোগো ডিজাইনের প্রস্তুতি পর্ব

প্রকাশঃ ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, জানুয়ারি ৬, ২০১৪ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১:২৬ অপরাহ্ন, জানুয়ারি ৬, ২০১৪

হাসান যোবায়ের, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর :  লোগো একটি শব্দ বা ইমেজের মাধ্যমে এক সাথে অনেক কিছুর বহিপ্রকাশ। এটি একটি দেশ, প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি বা ব্যাক্তিত্ব সহ অনেক কিছু প্রকাশ করে। তাইতো এখন সবাই লোগো ব্যবহার করে থাকে। যে সিম্বল দেখলে চোখের সামনে কোম্পানির চেহারা ভেসে ওঠে সেটিই সার্থক একটি লোগো।

একজন সাধারণ মানুষের চোখে লোগো মানে কোম্পানি বা প্রডাক্ট। লোগোর ওপর ভিত্তি করে একটি ব্র্যান্ড দাঁড়িয়ে যায়। এবং একজন ডিজাইনারের কাছে লোগো মানে ক্লায়েন্টের ভাবাদর্শ একটি গ্রাফিক দিয়ে প্রকাশ করা।

বর্তমানে প্রায় সবার নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে। যেটির জন্যে লোগো প্রয়োজন হয়। কোম্পানির সেবা প্রকাশের জন্যও এটি অপরিহার্য হয়ে গেছে। লোগো দেখতে অনেক সিম্পল মনে হলেও ডিজাইন করার সময় অনেক দিকে লক্ষ্য রাখতে হয়। এখানে লোগো ডিজাইনের বেসিক নিয়ম এবং কিছু কিছু প্রোফেশনাল টিপস আলোচনা করা হয়েছে।

লোগো ডিজাইনের পূর্বপ্রস্ততি
লোগো ডিজাইন শুরু করার আগে বেশ কিছু প্রস্তুতির বিষয় রয়েছে। ভালোভাবে ব্র্যান্ড বা কোম্পানির বিষয় আশয় বুঝে নিতে হবে।অডিয়েন্স সম্পর্কে গবেষণা
লোগো দেখতে শুধু সুন্দর হলে হবে না, এতে ব্র্যান্ডের ম্যাসেজও থাকতে হবে। যাতে এটি কোম্পানির পণ্য বা সেবা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণাও দেবে। লোগো ডিজাইনের সময় শুধু সুন্দর একটি লোগো বানাবেন তা নয়। যাতে সিম্বলটির মধ্যে একটি ব্র্যান্ডের ম্যাসেজ লুকিয়ে থাকে। যাতে সবার সামনে একটি গ্রাফিক সিম্বল দিয়ে প্রকাশ করার চেষ্টা করেন একজন লোগো ডিজাইনার।তাই লোগো ডিজাইন করার পূর্বে ওই ব্র্যান্ডের অডিয়েন্স কারা হবে তা জানতে রিসার্চ করতে হবে। এ বিষয়গুলো ক্লায়েন্টের কাছে শুরুতে ভালো মতো জেনে নিতে হবে। আপনার কাছে যেটা সেরা, সেটা তার কাছে নাও হতে পারে। দেশ, জাতি, বর্ণভেদে লোগোর ডিজাইনও পরিবর্তন হবে। যেমন আমাদের দেশে লাল সবুজ অনেক জনপ্রিয় রং। তার মানে এই নয় যে এটি পশ্চিমা বিশ্বেও জনপ্রিয়। তাদের নিজস্ব কিছু জনপ্রিয় বিষয় রয়েছে যা ডিজাইন শুরুর পূর্বে জানতে হবে।

ব্র্যান্ডের আদ্যপ্রান্ত জেনে নিন
লোগো ডিজানের স্কেচ শুরুর আগে ক্লায়েন্টের ব্র্যান্ডের পেছনে কিছু সময় ব্যয় করুন। ক্লায়েন্ট কোন দেশের নাগরিক? তারা কি করে? তাদের মতাদর্শইবা কি?

ক্লায়েন্ট যদি পূর্বে কোনো লোগো ডিজাইন করিয়ে থাকে তাহলে সেগুলোও আগে দেখে নিন। কি ধরণের লোগো ক্লায়েন্ট রিজেক্ট করেছে, কেন করেছে বা কি ধরণের লোগো পূর্বে ক্লায়েন্ট সিলেক্ট করেছে- এসব কিছু জেনে নিন ডিজাইন শুরুর পূর্বেই। ক্লায়েন্টের রুচিবোধ সম্পর্কে তাহলে অনেকটা ধারণা চলে আসবে এবং খুব দ্রুত কাংখিত লোগো ডিজাইন করা যাবে।

*

*

Related posts/