Maintance

দেশে ট্রানশানের মোবাইল কারখানা, মার্চের মধ্যে উৎপাদন

প্রকাশঃ ৬:৩৭ অপরাহ্ন, নভেম্বর ১২, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১২:১০ অপরাহ্ন, নভেম্বর ১৪, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশে মোবাইল কারখানা করার ইচ্ছার কথা আগেই জানিয়েছিল চীনের ট্রানশান হোল্ডিংস। এবার সে ইচ্ছাকে পাকাপোক্ত সিদ্ধান্ত করে নিয়েছে কোম্পানিটি।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০১৭ সালের প্রথম কোয়াটারেই উৎপাদনে যাবে ট্রানশান’ জানান ট্রানশান হোল্ডিংস বাংলাদেশের সিইও রেজওয়ানুল হক।

রোববার টেকশহরডটকমকে রেজওয়ানুল হক জানান, গাজীপুরে এই কারখানা হবে। ট্রানশানের টেকনো ও আইটেল দুটি ব্র্যান্ডই এখানে উৎপাদন করা হবে।

কারখানা স্থাপনে কোম্পানিটির কেমন বিনিয়োগ হবে তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কৌশলগত কারণে বিনিয়োগের বিষয়টি এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না। কারখানা স্থাপনের সার্বিক প্রস্তুতি গোছানো চলছে। এসব চূড়ান্ত হলে সবকিছুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।

আরো পড়ুন: উইয়ের মোবাইল কারখানা চালু নভেম্বরে, উৎপাদন লক্ষ্য দেড় লাখ

প্রতিষ্ঠানটির ‘টেকনো’ ও ‘আইটেল’ ব্র্যান্ডের হ্যান্ডসেট ইতোমধ্যে দেশের বাজারে রয়েছে। এর মধ্যে টেকনো বিশ্বের ৫৮টি দেশে বিক্রি হয় এবং ব্র্যান্ডটি আফ্রিকার বাজারে শীর্ষে।

চলতি বছরের জুলাইয়ে দেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে কোম্পানিটির প্রিমিয়াম হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড টেকনো।
তখন ট্রানশান হোল্ডিংসের ভাইস প্রেসিডেন্ট আরিফ চোধুরী জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে মোবাইল উৎপাদনে কারখানা স্থাপন করতে সম্ভাব্যতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করছেন তারা।

শুধু স্থানীয় বাজার নয়, বাংলাদেশে কারখানার উৎপাদন দিয়ে অন্যান্য দেশের বাজারেও হ্যান্ডসেট রপ্তানি করতে চায় ট্রানশান। তারা স্থানীয় উৎপাদন, বাজারজাতে ও রপ্তানিতে সরকারের কর কাঠামো ও বিভিন্ন বিনিয়োগ সুবিধা যাচাই করছেন বলেছিলেন আরিফ চৌধুরী।

দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন ইতোমধ্যে তাদের কারখানা উদ্বোধন করেছে। সিম্ফোনি ও উইও কারখানা স্থাপনে কাজ করছে। উই চলতি বছরের ডিসেম্বরে উৎপাদনে যেতে চাইছে।

অন্যদিকে বিদেশী ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে এলজি দক্ষিণ কোরিয়ার বহুজাতিক কম্পানি এলজি ইলেকট্রনিকস যৌথ বিনিয়োগে দেশে মোবাইল ফোন উৎপাদনে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। মেট্রোসেম নামের একটি কোম্পানি এলজির হয়ে প্লান্ট তৈরির কার্যক্রমে থাকছে।

স্যামসাংও হ্যান্ডসেট কারখানা করতে কার্যক্রম চালাচ্ছে। ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড স্যামসাংয়ের ওই উদ্যোগের সঙ্গে রয়েছে।

এছাড়া হুয়াওয়েও কারখানা স্থাপনের বিষয়ে বিশেষভাবে ভাবছে বলে জানা গেছে। তারা এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে আসেনি।

আল-আমীন দেওয়ান

আরো পড়ুন:

*

*

Related posts/