১১ দিনে বাংলালিংকের ১২ হাজার থ্রিজি গ্রাহক

টেক শহর প্রতিবেদক : আগামী মাসে খুলনা ও সিলেটে থ্রিজি সেবা চালু করবে বাংলালিংক। এ ছাড়া আগামী বছরের মধ্যে সারাদেশে এ সেবা দিতে কাজ করছে দ্বিতীয় শীর্ষ মোবাইল অপারেটরটি।

থ্রিজি চালু উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলালিংক সিইও জিয়াদ সাতারা। তিনি আরও জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রামের কিছু স্থানে এ সেবা চালুর পর গত ১১ দিনে তাদের থ্রিজি গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার। 

রাজধানীর একটি হোটেলে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কেক কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে অপারেটরটির থ্রিজি কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী সাহারা খাতুন।

বর্তমানে ঢাকার চারটি স্থানে ও চট্টগ্রামের একটি স্থানে বাংলালিংকের থ্রিজি সেবা চালু রয়েছে। অন্য অপারেটররাও এসব স্থানে প্রায় একই সময়ে এ সেবা চালু করে।

অনুষ্ঠানে সাহারা খাতুন বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে থ্রিজির বিকল্প ছিল না। তাই রাষ্টায়ত্ব টেলিটকের মাধ্যমে প্রথমে এ সেবা চালু করা হয়। প্রায় এক বছর পরে নিলামের মাধ্যমে অপর চার অপারেটরকে থ্রিজি লাইসেন্স দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় অন্যান্য অপারেটরের পাশাপাশি বাংলালিংকও বাণিজ্যিকভাবে থ্রিজি সেবা চালু করেছে। শুধু শহরে নয়, গ্রামেও এ সেবা ছড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার এমপি, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব নজরুল ইসলাম খান, টেলিযোগাযোগ সচিব আবু বকর সিদ্দিক, বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াদ সাতারা, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমাদ, মার্কেটিং ডিরেক্টর সোলাইমান আলম ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর জাকিউল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বাংলালিংক সিইও জিয়াদ সাতারা বলেন, নতুন প্রযুক্তির এ সেবা কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে গ্রাহকরা পাচ্ছেন সবচেয়ে আধুনিক সেবা। এর মাধ্যমে বাংলালিংকের গ্রাহকরা এখনই নতুন কিছু শুরু করার সুযোগ পাচ্ছে। গ্রাহকদের নিয়মিত চাহিদা পূরণের জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছি। এরই মধ্যে আমরা আমাদের নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী এবং থ্রিজি সমমানের করার জন্য বড় বিনিয়োগ করেছি।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব নজরুল ইসলাম খান বলেন, থ্রিজি সেবার মাধ্যমে সবচেয়ে অগ্রগতি হলে আউটসোসিং ক্ষেত্রে। এতদিন প্রত্যন্ত অঞ্চলে গেলে দ্রুতগতির ইন্টারনেট নাই বলে অনেকেই অভিযোগ করতেন। থ্রিজি চালু হওয়ার মাধ্যমে এ অভিযোগ করার সুযোগ থাকবে না। তিনি আরো বলেন, গত বছর এ খাত থেকে বাংলাদেশ আয় করেছে ২২ মিলিয়ন ডলার। এ বছর ৩৭ মিলিয়ন ডলার আয়ের আশা করা হচ্ছে।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বলেন, থ্রিজি সেবার বিষয়ে গ্রাহকরা কিছু সমস্যার কথা জানিয়েছেন। আশা করি বাংলালিংক এগুলোর সমাধান করবে।

– তুহিন মাহমুদ, টেক শহর  প্রতিবেদক

Related posts

*

*

Top