Maintance

মোবাইল কারখানার শুরুতে ওয়ালটনের বিনিয়োগ ১০০ কোটি টাকা

প্রকাশঃ ৬:০৬ অপরাহ্ন, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৪:৪৮ অপরাহ্ন, অক্টোবর ৭, ২০১৭

অনন্য ইসলাম, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে মোবাইল ফোন উৎপাদন ও সংযোজনের কারখানা স্থাপনের জন্য শুরুতে ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে ওয়ালটন।

তবে এই কারখানায় ধারাবাহিক বিনিয়োগের জন্য আরও তহবিল গুছিয়ে রেখেছে কোম্পানিটি।

ওয়ালটনের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর উদয় হাকিম টেকশহরডটকমকে জানান, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামে বিটিআরসি’র কাছে কারখানা স্থাপন বিষয়ে আবেদন করেছে। খুব শিগগির তারা অনুমতি পাওয়ার আশা করছেন।

আরও পড়ুন: দেশের বাইরেও নজর সিম্ফোনির, মাসে ৫ লাখ তৈরির লক্ষ্য

এর মধ্যে ৫ অক্টোবর এই কারখানা উদ্বোধন করার অায়োজন করে রেখেছে ওয়ালটন। গাজীপুরের চন্দ্রায় এই কারখানা উদ্বোধন করবেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওয়ালটনের আবেদনের পর বিটিআরসি দ্রুততার সঙ্গে নির্দেশিকা জারির করেছে।

উদয় হাকিম বলছেন, গাজীপুরের চন্দ্রায় তাদের হাইটেক পার্কে এই কারখানার অনেক যন্ত্রপাতি কেনাই আছে। এখন শুরু করে পরে আর কিছু অর্থ বিনিয়োগ করলেই কারখানা স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে যাবে।

ওয়ালটনের পরিকল্পনা অনুসারে বছরে তারা ৫০ লাখ হ্যান্ডসেট সংযোজন করতে চায়। সেটি তারা করবে ফিচার ফোন এবং স্মার্টফোন মিলিয়ে।

তবে মোবাইল ইমপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের হিসাব অনুসারে ২০১৬ সালে কোম্পানিটি সব মিলে প্রায় ২০ লাখ হ্যান্ডসেট আমদানি করেছিল। এদিক হতে তারা ছিল তৃতীয় স্থানে।

স্থানীয় কোম্পানিগুলো ছাড়াও বিদেশী কিছু কোম্পানিও দেশে হ্যান্ডসেট কারখানা স্থাপনের বিষয়ে ইতিবাচক পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে।

২০১৬ সালে বৈধ পথে দেশে তিন কোটি ১০ লাখ হ্যান্ডসেট এসেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশন। আর এই ফোনগুলোর বাজার মূল্য আট হাজার কোটি টাকা।

বর্তমানে বাংলাদেশে কোনো প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে হ্যান্ডসেট সংযোজন বা উৎপাদন করে না। আর সে কারণে হ্যান্ডসেটের পেছনে খরচ হওয়া পুরো টাকাই বিদেশে চলে যায়।

*

*

Related posts/