Maintance

অনশনে এরিকসন কর্মীরা

প্রকাশঃ ৮:২৬ অপরাহ্ন, আগস্ট ২৮, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১:৩৪ অপরাহ্ন, আগস্ট ২৯, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : চাকরিচ্যুতির নোটিশ পাওয়া এরিকসন বাংলাদেশের কর্মীরা অনশন করছেন।

এসব কর্মীরা মোবাইল ফোন অপারেটরসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো স্বেচ্ছা অবসর স্কিমসহ চাকরিচ্যুতির প্রাপ্য সুবিধা দাবি করছেন।

সোমবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ গুলশানস্থ এরিকসন বাংলাদেশের কার্যালয়ে কমপক্ষে ৬০ জন কর্মী এই অনশন কর্মসূচিতে রয়েছেন।

গত ১৮ আগস্ট বিনা নোটিশে এবং কোনো রকম বাড়তি সুবিধা না দিয়ে অন্তত ৭০ জনকে চাকুরিচ্যুতির নোটিশ দেয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি। সে অনুসারে সেপ্টেম্বরের ১ তারিখ হতে এই কর্মীদের কারও চাকরি আর এরিকসনে থাকছে না।

এরিকসন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান টেকশহরডটকমকে জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে।

‘কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সোমবার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তারা সরাসরি না এসে টেলিকনফারেন্স করেছে। এবং তা ফলপ্রসূ হয়নি।’

কর্তৃপক্ষ সময়ক্ষেপণ করছে অভিযোগ করে এরিকসনের এই কর্মকর্তা বলেন, ৩১ আগস্ট চাকরিচ্যুত কর্মীদের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ। বিষয়টি এরপরে নিয়ে কর্মীদের ন্যায্য পাওনার দাবিকে দাবিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

কর্মীদের সঙ্গে এরিকসন কর্তৃপক্ষ হিসেবে অ্যাক্টিং হেড অব কান্ট্রি ইউনিট আবদুস সালাম ও এইচআর হেড মীর আওয়াল খাদেমুর রহমান প্রতিনিধিত্ব করছেন।

চাকরিচ্যুতির নোটিশ পাওয়ার পর দাবি আদায়ে কর্মীরা মানববন্ধন, কর্মবিরতিসহ নানা কর্মসূচি করে আসছেন।

গত ২১ আগস্ট ১১ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন এরিকসন বাংলাদেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা। তখন কয়েকদফা আলোচনার পর রাত সাড়ে আটটায় শীর্ষ কর্মকর্তাদের শর্ত সাপেক্ষে অফিস কক্ষ থেকে বের হওয়ার সুযোগ দেন কর্মরা। চাকুরিচ্যুতির নোটিশ পাওয়া কর্মীদের নিয়ম অনুযায়ী সুযোগ সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনার শর্তে ওই কর্মকর্তারা বের হয়েছিলেন।

এরপর এরিকসনের এশিয়া অফিসের সঙ্গে ২৩ আগস্ট এক টেলিকনফারেন্সে বাংলাদেশে কর্মীদের সঙ্গে পদে পদে শ্রম আইন লঙ্গনের অভিযোগ জানান চাকরিচ্যুতির নোটিশ পাওয়া বিক্ষুব্ধ কর্মীরা। ওই দিন দুপুরে তারা সিঙ্গাপুরে এশিয়া অফিসের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন।

কর্মীরা অভিযোগ দেন, বছরের পর বছর তারা চুক্তিভিত্তিক হিসেবে কাজ করছেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিন বা উৎসবের সময়েও তারা কাজ করেছেন। এমনকি দিনের পর দিন আট ঘন্টার বেশি কাজ করলেও কোনো ওভারটাইম তারা পাননি।

আর সপ্তাহ জুড়ে আলোচনার পরও কোনো ধরনের মিমাংসা না হওয়ায় রোববার হতে কর্মবিরতি পালন করছিলেন কর্মীরা। সবশেষে সোমবার আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় অনশন শুরু করেন তারা।

আল-আমীন দেওয়ান

আরও পড়ুন: 

*

*

Related posts/