Maintance

মোবাইল কলরেট নির্ধারণে আগের অবস্থানেই বিটিআরসি

প্রকাশঃ ১১:৫৯ অপরাহ্ন, আগস্ট ১৬, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৩:১৩ অপরাহ্ন, আগস্ট ১৭, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : টেলিযোগাযোগ বিভাগ হতে ফেরত পাঠানো মোবাইল ফোন কলরেট নির্ধারণের আগের প্রস্তাবেই ঠিক থাকছে বিটিআরসি।

একই অপারেটরের মধ্যে সর্বনিম্ন কলরেট ১০ পয়সা বাড়ানো, ভিন্ন অপারেটরে তা ১৫ পয়সা কমানো এবং সর্বোচ্চ কলরেটের সীমা ১ টাকা ৫০ পয়সা করার ওই প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সম্প্রতি টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠিয়েছিল সংস্থাটি। কিন্তু বিভাগ তা পুনরায় পর্যালোচনা করার জন্য ফেরত দেয়।

তবে কলরেট নিয়ে আগের ওই সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন আনছে না বিটিআরসি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিটিআরসি এক কর্মকর্তা বলছেন, এই কলরেটে গ্রাহকদের খরচ একটুও বাড়বে না। উল্টো এটি কমবে। কারণ সবার কলরেটই এখন নিজ অপারেটরে ৩৫ পয়সার ওপরে। সুতরাং এখানে খরচ একটুও বাড়বে না। বরং অন্য অপারেটরে কল করার ক্ষেত্রে এতোদিন মিনিটে ৬০ পয়সা লাগলেও এখন তা ৪৫ পয়সা হবে। এতে সব অপারেটরেরই রেট নামবে।

অন্যদিকে টেলিটকের এতে চিন্তার কারণ সবচেয়ে কম। তাই এই সিদ্ধান্তে বিরোধিতার কিছু থাকতে পারে না বলে মনে করছেন তিনি।

পুরো বিষয়গুলো সরকারের কাছে নতুন করে দেয়া প্রস্তাবে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, নতুন কলরেটে গ্রাহকের খরচ ২৫ শতাংশ কম হবে।

বিটিআরসির ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একই অপারেটরের মধ্যে নতুন রেট করা হচ্ছে ৩৫ পয়সা, যা আগে ছিল ২৫ পয়সা। ভিন্ন অপারেটরের কলে এ রেট ৬০ পয়সা হতে কমে ৪৫ পয়সা করার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ কলরেট দুই টাকা থেকে নামিয়ে এক টাকা ৫০ পয়সা করা হবে।

সর্বনিন্ম কলরেট বৃদ্ধির প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কলরেটের এ পরিবর্তন গ্রাহকদের কথা বলার খরচ নূন্যতম হলেও বাড়াবে। কেননা বেশিরভাগ গ্রাহকই একই অপারেটরের মধ্যে বেশি কল করে থাকেন।

বর্তমানে চালু সর্বনিন্ম ও সর্বোচ্চ কলের রেট ২০১০ সালে নির্ধারণ করেছিল বিটিআরসি। তখন আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের সঙ্গে যৌথভাবে এক সমীক্ষা শেষে ফোন কলের সীমা বেঁধে দিয়েছিল সংস্থাটি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিস্তারিত পর্যালোচনা ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে বড় অপারেটরগুলোর আরও সুবিধা হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটকের মতো ছোট অপারেটর আরও ক্ষতির মুখে পড়বে।
নতুন প্রস্তাব অনুসারে, কল ভলিউম যদি আগের মতোই থাকলে মাসে গ্রামীণফোনের আয় বাড়বে ৯৩ কোটি টাকা। অন্যদিকে রবির আয় বাড়বে ১৯ কোটি ও বাংলালিংকের ৯ কোটি টাকা।

এর বিপরীতে টেলিটকের আয় মাসে চার কোটি টাকা কমে যাবে।

আল-আমীন দেওয়ান

*

*

Related posts/